নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কম আলোর কারণে যখন দিনের খেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়, তখন স্বাগতিক বাংলাদেশ দল ১৩৮ রানের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। যদিও এই রানসংখ্যার পরিসংখ্যান ম্যাচের পুরো দিনের সঠিক মূল্যায়ন বহন করে না। স্কোরবোর্ডে এগিয়ে থাকার স্বস্তি স্বাগতিকদের পক্ষে থাকলেও, মূলত মাঠের পারফরম্যান্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আধিপত্যই বজায় ছিল।
প্রথম দিন শেষে তিন উইকেটের বিনিময়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২১৩ রান, যা বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন চারশো রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
তবে স্বাগতিক ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি দল। দ্বিতীয় দিনের সকালের প্রথম সেশনে মাত্র একান্ন রান যোগ করতেই শেষ সাতটি উইকেট হারিয়ে সামগ্রيك ইনিংসের পতন ঘটে সাতাশ রানে গুটিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।
আগের দিনের মতো আজও ক্যারিবিয়ান বোলারদের সাফল্যের চেয়ে বাংলাদেশের ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচনই দ্রুত অলআউট হওয়ার নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করে।
দিনের শেষ ভাগে এসে বোলারদের অসাধারণ ও লড়াকু বোলিং নৈপুণ্যের কল্যাণে পুরোপুরি ম্যাচ হাতছাড়া হওয়া থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ দল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর