নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সামরাজ মৎস্যঘাটের বেশ কয়েকজন আড়তদার গণমাধ্যমকে জানান, ঘাটে আসা ইলিশগুলো মূলত সমুদ্রের। সরকারের আরোপিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই জেলেরা সাগরে মৎস্য শিকারে নেমেছিলেন।
সমুদ্রগামী ট্রলারের মাঝি নুর মোহাম্মদের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে এ ঘটনার পেছনে প্রশাসনের উদাসীনতা দায়ী বলে মনে করেন সামরাজ মৎস্যঘাটের সভাপতি আজিজ।
সভাপতি আজিজ আরও মন্তব্য করেন যে, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আরও অনেক বেশি কঠোর ভূমিকা পালন করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষে ঘাটে ট্রলারগুলো ইলিশে বোঝাই হয়ে ফিরে আসার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন জানান, কিছু অসাধু জেলে গোপনে সমুদ্রে গিয়ে থাকতে পারেন, অন্যদিকে ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সমুদ্রে নিয়মিত নজরদারি চালায় কোস্ট গার্ড।
অন্য একটি ঘটনার খবর জানিয়ে চাঁদপুর প্রতিনিধি জানান যে, চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছ বাজারে পচা ইলিশ বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করার অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ইমরান জানান, পচা ইলিশ বিক্রির জন্য মজুত রাখার অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে মো. নজরুল ইসলামকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযানে জব্দকৃত সমস্ত পচা ইলিশ পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে বলেও তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।
এদিকে ইলিশের সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি এবং এর টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতটে নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে।
আজ শনিবার মধ্যরাত থেকে জাটকা আহরণের ওপর আট মাসের একটি দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞা শুরু হতে যাচ্ছে।
ঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর