ঢাকা | বঙ্গাব্দ

উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথ উন্মুক্ত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 31, 2026 ইং
উত্তীর্ণ সাড়ে ৬ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথ উন্মুক্ত ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানানো হয়েছে যে উচ্চশিক্ষা স্তরে প্রবেশের ক্ষেত্রে মোট তেরো লক্ষ চল্লিশ হাজার আসন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে শিক্ষা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে পরীক্ষায় সফল হওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীই উচ্চশিক্ষা গ্রহণে নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

শনিবারের এই নির্ধারিত দিনে সারা দেশের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের মূল্যায়নপত্রগুলোর ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। রাজধানীর প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট এই ইতিবাচক ঘোষণাটি দেওয়া হয়।

এ বছর সারা দেশের মোট এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে অনুষ্ঠিত মূল্যায়ন কার্যক্রমে বারো লক্ষ চল্লিশ হাজার সাতানব্বই জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন ছয় লক্ষ ছেচল্লিশ হাজার ছয়শো পঁচাশি জন শিক্ষার্থী, যা শতাংশের হিসেবে বায়ান্ন দশমিক বারো শতাংশ।

সেরা ফলাফল তথা জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ঠিক চল্লিশ হাজার চুরাশি জন কিশোর-কিশোরী। এই শীর্ষ সাফল্য অর্জনকারীদের মধ্যে বিশ হাজার তিনশো তেষষটি জন ছাত্র এবং উনিশ হাজার সাতশো একান্ন জন ছাত্রী রয়েছেন।

চলতি শিক্ষাবর্ষের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বিশেষ ছাড় দিয়ে জানানো হয়েছে যে সর্বোচ্চ এক বা দুটি বিষয়ে যারা ব্যর্থ হয়েছেন, তারা মাত্র ত্রিশ দিনের মধ্যে কেবল ওই নির্দিষ্ট বিষয়গুলোর ওপর পুনরায় পরীক্ষায় বসার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।

উল্লিখিত স্বল্পসংখ্যক বিষয়ে অনুত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা চার লক্ষ বাইশ হাজার নয়শো পাঁচ জনে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে ফেল করলে তাকে সম্পূর্ণ একটি বছর অপেক্ষা করে পরবর্তী বছর আবার অংশ নিতে হতো।

আগের প্রথার কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হতো এবং অতিরিক্ত মানসিক অবসাদ তৈরি হতো। তবে নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে তরুণদের মূল্যবান একটি বছর অপচয় হওয়া থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে এবারের সামগ্রিক মূল্যায়নে প্রায় দুইশো তিয়ানব্বইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই সফলতার মুখ দেখতে পারেননি। অর্থাৎ ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর পরীক্ষার্থীরা সবাই অকৃতকার্য হওয়ার বেদনাদায়ক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।

এর বিপরীত চিত্রে দেখা গেছে যে একশো উনচল্লিশটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমন রয়েছে যেখানকার শতভাগ পরীক্ষার্থীই সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
কমলনগরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ও তদন্ত শুরু

কমলনগরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ও তদন্ত শুরু