নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
নিজের কাজের কঠোর সমালোচনার কথা প্রকাশ করে প্রখ্যাত সুরকার এ আর রহমান জানিয়েছেন যে তিনি যা তৈরি করেন তার প্রতিটিতে তিনি অন্ধভাবে মুগ্ধ হন না। একটি মাত্র সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হয় না বরং প্রতিটি সুরের পেছনে দীর্ঘ মাসের পর মাস শ্রম দিতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সুর সৃষ্টির এই প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি আচারের একটি সুন্দর উদাহরণ টেনেছেন। তার মতে আচারের স্বাদ যেমন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও খোলে, তেমনি কিছু গান বা সুরের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এই ধরনের সুরের নেপথ্যে একটি নির্দিষ্ট নৃতাত্ত্বিক ভাবনা লুকিয়ে থাকতে পারে যা শ্রোতাদের অনুধাবন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
শ্রোতাদের সমালোচনার ধরন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে অনেক সময় মানুষ পুরো কাজটির সামগ্রিক রূপটি না দেখে কেবল একটি নির্দিষ্ট অংশকে কেন্দ্র করে সমালোচনা করেন। একটু ধৈর্য ধারণ করলেই শ্রোতারা বুঝতে পারবেন কেন একটি সুনির্দিষ্ট সুর কিংবা বিশেষ কোনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সেই সাক্ষাৎকারে বহুল আলোচিত ‘রামায়ণ’ চলচ্চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর নিয়ে কথা বলেছেন এই অস্কারজয়ী সুরকার। এই সিনেমায় তার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন বিশ্বখ্যাত আরেক সুরকার হ্যান্স জিমার এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা তিনি বিস্তারিতভাবে শেয়ার করেন।
চলচ্চিত্রটিতে হ্যান্স জিমারের মতো বিশ্বমানের শিল্পীর যুক্ত হওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক দর্শকদের মাঝে প্রচণ্ড কৌতূহল সৃষ্টি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এর মাধ্যমে সিনেমাটি বিশ্বমঞ্চে সম্পূর্ণ নতুন একটি দর্শকের দলের কাছে সহজেই পৌঁছে যেতে সক্ষম হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর