নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সংসদ ভবনকে আরও আধুনিক করতে চলমান একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদীয় কমিটির একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের সংসদীয় কর্মকাণ্ডকে যুগোপযোগী ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর করে তোলার লক্ষ্য সামনে রেখে এই আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককক্ষে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এবং হুইপ পদমর্যাদার এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আরও অংশ নেন নায়াব ইউসুফ আহমেদ, সাঈদ আল নোমান এবং হুমাম কাদের চৌধুরী।
এই আয়োজনে মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আখতার হোসেন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও আন্না মিনিজ। তারা সবাই মিলে সমগ্র প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
সভার শুরুতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ প্রকল্পের ওপরে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এই উপস্থাপনার মাধ্যমে কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
প্রকল্পটির কার্যক্রম যেন অত্যন্ত সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় এবং এর বিভিন্ন উপকরণের ভেতর যেন যথাযথ সমন্বয় থাকে, সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেদিকেও কঠোর নজর রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই উদ্যোগের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। এর ফলেই পূর্বের ‘ই-পার্লামেন্ট’ নাম বদলে নতুনভাবে ‘ই-বাংলাদেশ পার্লামেন্ট’ করার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
এ ছাড়া পুরো কাজের একটি বিশেষ দিক খতিয়ে দেখার জন্য একটি ছোট দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাউন্ড সিস্টেমসহ অন্যান্য সব কার্যক্রমে কোনো দ্বৈততা বা কাজের পুনরাবৃত্তি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের একটি উপকমিটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
ঘোষিত উপকমিটিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কমিটির সদস্য সাঈদ আল নোমানকে। তার সঙ্গে এই কমিটিতে আরও রাখা হয়েছে লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও আন্না মিনজকে।
এই তিন সদস্যের বিশেষ উপকমিরিটি পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করবে। যাচাই-বাছাই শেষে তারা প্রয়োজনীয় সুপারিশ সংবলিত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মূল কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করবেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর