ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 5, 2026 ইং
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

আজ চার হাজার আটষট্টি কোটি টাকার একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অংশীদারিত্বে এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ সম্পন্ন হতে চলেছে।

এই উদ্যোগের পেছনে চীন সরকারের এক্সিম ব্যাংক অব চায়না অর্থায়ন করছে। প্রতিষ্ঠানটি সহজ শর্তের ঋণ হিসেবে প্রায় তিন শত পঁয়ত্রিশ দশমিক আটাত্তর মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদান করছে।

প্রকল্প পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দশ ও এগারো নম্বর নামের দুটি আধুনিক কনটেইনার জেটি তৈরি করা হবে। এই জেটি দুটির সম্মিলিত দৈর্ঘ্য হবে তিন শত আটষট্টি মিটার।

জেটি নির্মাণের পাশাপাশি এখানে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সহায়ক অবকাঠামোও গড়ে তোলা হবে।

এসব নতুন স্থাপনার কার্যক্রম শুরু হলে বার্ষিক প্রায় তিন লক্ষ চুরানব্বই হাজার টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা যাবে। টিইইউ বলতে টুয়েন্টি-ফিট ইকুইভ্যালেন্ট ইউনিটকে বোঝানো হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটিতে বিভিন্ন আয়তনের ইয়ার্ড তৈরির ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে সাতাশি হাজার ছয় শত বর্গমিটারের লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া চৌত্রিশ হাজার একশত সত্তর বর্গমিটার আয়তনের একটি খালি কনটেইনার ইয়ার্ডও নির্মাণ করা হবে।

বিপজ্জনক পণ্য নিরাপদে হ্যান্ডলিংয়ের জন্য চার হাজার দুই শত ষাট বর্গমিটার আয়তনের আলাদা ইয়ার্ড রাখা হয়েছে।

এই সমস্ত অবকাঠামো বন্দরটির পণ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকে অনেক উন্নত করবে। একই সঙ্গে পণ্য ব্যবস্থাপনা ও হ্যান্ডলিংয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম আরও দক্ষ ও গতিশীল হয়ে উঠবে।

উল্লেখ্য যে, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফর করেছিলেন। সেই সফরকালেই এই প্রকল্পের অর্থায়নের বিষয়টির সুরাহা হয়।

চীন সফরকালে দেশটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা বা সিআইডিসিএ এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বা ইআরডির মধ্যে একটি ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

সেই চুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত দশ অক্টোবর চীনের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে একটি ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উক্ত চুক্তির আওতায় দুই দশমিক চার শূন্য চার বিলিয়ন চীনা ইউয়ান ঋণ পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় তিন হাজার পাঁচ শত বিরানব্বই কোটি ৯০ লাখ টাকা।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সন্তানের সাফল্যে স্ট্যাটাস: চুয়াডাঙ্গা ছাত্রদল সভাপতির ক্ষোভ

সন্তানের সাফল্যে স্ট্যাটাস: চুয়াডাঙ্গা ছাত্রদল সভাপতির ক্ষোভ