নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কুমিল্লার মুরাদনগর থানা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ইলিশবোঝাই পিকআপ ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনার মূল হোতাকে অবশেষে আটক করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত কুখ্যাত এক আন্তজেলা ডাকাত দলের সর্দারকে পুলিশ আইনের আওতায় নিয়ে আসে।
তদন্তকারী সূত্রে প্রকাশ, এই অভিযان পরিচালনা করে এসআরবি। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আটককৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে অতীতে দায়ের হওয়া মামলা এবং বিভিন্ন থানার পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শেষে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১৯টি আলাদা ডাকাতির মামলার নিখুঁত তথ্য উদঘাটিত হয়। আন্তজেলা এই অপরাধ চক্রের মূল সর্দারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তাঁকে মুরাদনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে সংঘটিত ওই ডাকাতির সময় সশস্ত্র অপরাধীরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মাছের ব্যবসায়ী, গাড়িচালক এবং তাঁদের সাথে থাকা সহযোগীকে জিম্মি করে শারীরিক নির্যাতন চালায়।
পরবর্তীতে ওই তিনজনের হাত, পা এবং মুখ শক্ত করে বেঁধে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা প্রায় সাড়ে নয় লাখ টাকা বাজারমূল্যের মাছ বোঝাই পিকআপটি এবং ব্যবসায়ীর সাথে থাকা নগদ ৭১ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলের আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের বিপজ্জনক অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল হোসেন বাদী হয়ে নিজেই উদ্যোগী হয়ে মুরাদনগর থানায় একটি নিয়মিত ডাকাতির মামলা দায়ের করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর