নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
চাঁদপুর জেলায় সমস্ত সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কতা উপেক্ষা করে কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে মোট আটচল্লিশটি অবৈধ ইটভাটা। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোরভাবে মানা করার পরও এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ ইট প্রস্তুত ও পোড়ানোর যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তুলেছে।
জেলার প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, সংশ্লিষ্ট এই আটচল্লিশজন অবৈধ ইটভাটার মালিককে স্পষ্টভাবে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল যাতে তারা কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকেন। তিনি আরও সতর্ক করে বলেছেন যে, এর পরও যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে ভাটা চালু রাখেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর আগে প্রশাসন থেকে আরও বেশ কয়েকটি অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ বা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।
প্রশাসনের কড়া নজরদারি ও পূর্বের অভিযানের পরেও কীভাবে বারবার এই অবৈধ ইটভাটাগুলো পুনরায় সচল হয়ে ওঠে এবং মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো স্থায়ী ও চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের মুখে পড়েন জেলা প্রশাসক।
উত্তরে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান ব্যাখ্যা করে জানান যে, ইটভাটা পরিচালনার ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন মেনেই যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে। মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে বিবেচনা করে আইন প্রয়োগ করে থাকেন।
আইনের বিধান অনুযায়ী অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া, সংশ্লিষ্টদের কারাদণ্ড প্রদান এবং বড় অঙ্কের অর্থ জরিমানার কঠোর বিধান রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলার চিহ্নিত চারটি অবৈধ ইটভাটা চিরতরে বন্ধ করার লক্ষ্যে খুব শীঘ্রই একটি বড় যৌথ অভিযান পরিচালনা করার জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যৌথ অভিযان সফল করার পর ধাপে ধাপে বাকি অবৈধ ভাটাগুলোর বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর