নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
১৯৭৮ সালে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কের সংলগ্ন সুজালপুর ইউনিয়নের চাকাই গ্রামে এই চিকিৎসাকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের দিকে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ৩১ থেকে বাড়িয়ে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়। তবে শয্যা সংখ্যা বাড়লেও এর জনবল কাঠামো পুরোনো ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের স্তরেই আটকে রয়েছে।
অবস্থানগত কারণে এবং আশপাশের কয়েকটি উপজেলার নিকটবর্তী হওয়ায় এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে সর্বদা রোগীর বাড়তি চাপ লক্ষ্য করা যায়। মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় বিভিন্ন দুর্ঘটনাজনিত রোগীর সামাল দিতেও হিমশিম খেতে হয়।
হাসপাতালটিতে সব মিলিয়ে ৩৩ জন চিকিৎসকের পদ অনুমোদিত থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৩ জন। এর মধ্যে আবার তিন জন চিকিৎসক অন্যত্রে প্রেষণে দায়িত্বরত রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির মোট ৩৫টি পদের বিপরীতে বর্তমানে ২২ জন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করছেন।
৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালের উপযোগী করে কোনো চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদই এখনো সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে ৩১ শয্যার কাঠামোর ২১টি পদের বিপরীতে ১৩ জন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বর্তমানে আটটি পদ খালি রয়েছে।
এখানে ৬টি এমএলএসএস পদ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে সবগুলো পদই সম্পূর্ণ শূন্য অবস্থায় পড়ে আছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে আয়া বা সেবিকার কোনো পদ বা জনবল নেই। মাত্র চারজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ওপর ভর করে পুরো ৫০ শয্যার বিশাল হাসপাতালটি চালু রাখা হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর