নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে প্রিয়জন হারানোর বেদনা বুকে নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার শ্মশানগুলোতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ সমবেত হন। বিগত দিনে চিরবিদায় নেওয়া স্বজনদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন তারা।
উপজেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক সজল সমাদ্দার জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা প্রতি বছর নির্দিষ্ট এই তিথিতে শ্মশান প্রাঙ্গণে একত্রিত হয়ে মৃত আত্মীয়স্বজনের আত্মার শান্তি কামনায় বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে থাকেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সময়ের পরিক্রমায় এই ধর্মীয় উৎসবের পরিধি এখন কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব দেবাশীষ সিকদার কালা উল্লেখ করেন যে, অতীতে কেবল পৌর শহরের কলেজ রোডসংলগ্ন শ্মশানেই এই স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো।
তবে বর্তমান সময়ে কলেজ রোডের পাশাপাশি চিংড়িয়া শ্মশানেও এই দীপালি উৎসবের কার্যক্রম অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।
উৎসবের মূল তাৎপর্য তুলে ধরে পৌর শহরের কামারপট্টি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা বিশ্বজিৎ কর্মকার নিজের পারিবারিক অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে তিনি তাঁর বাবা ও মা উভয়কেই হারিয়েছেন এবং প্রতি বছর এই বিশেষ দিনে তিনি শ্মশানঘাটে উপস্থিত হন।
মৃত বাবা-মায়ের পবিত্র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন যে শ্মশানে এসে তিনি নিয়মিতভাবে তাঁদের আত্মার চিরশান্তির জন্য ঈশ্বরের নিকট প্রার্থনা নিবেদন করে থাকেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর