নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাজপরিবারের অন্দরমহলের লেখক ক্রিস্টোফার অ্যান্ডারসন দাবি করেছেন, প্রিন্সেস ডায়ানা আগেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার সুবাদে উইলিয়ামের অবস্থান ও দায়িত্বের পরিধি হ্যারির চেয়ে একেবারেই আলাদা হয়ে দাঁড়াবে। এই ব্যবধানের জেরে প্রিন্স হ্যারি মানসিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারেন বলে গভীর সংশয় ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটত তাঁর।
ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যান্ডারসন এই তথ্য প্রকাশ করে জানান, ডায়ানা সবসময় এই ভয়ে থাকতেন যে জ্যেষ্ঠ ভাই উইলিয়ামের প্রবল প্রভাবে না জানি হ্যারির নিজস্ব অস্তিত্ব ও দীপ্তি ঢাকা পড়ে যায়। লেখক আরও উল্লেখ করেন যে, ছোটবেলা থেকেই উইলিয়াম তাঁর মায়ের এই মানসিক চাপ বুঝতে পারতেন এবং নিজের কোনো আচরণে যাতে ছোট ভাইয়ের মনে কোনো আঘাত না লাগে, সে বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন থাকতেন।
অন্যদিকে, অ্যান্ড্রু মর্টনের লেখা জীবনীগ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে প্যারিসের একটি হোটেল থেকে ১৫ বছর বয়সী বড় ছেলে প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে টেলিফোনে শেষবার কথা বলেছিলেন ডায়ানা।
ফোনালাপে উইলিয়াম তাঁর মাকে জানান যে, ইটন কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের সূচনা উপলক্ষে তাঁকে একা একটি একক ফটোসেশনে অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মায়ের মতো উইলিয়ামের মনেও তখন এই আশঙ্কা কাজ করছিল যে, বড় ভাইয়ের এমন একা ছবি তোলার বিষয়টি দেখে ১২ বছর বয়সী হ্যারি নিজেকে অবহেলিত বা উপেক্ষিত মনে করতে পারে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর