ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চিলখাল স্কুলে ভোটকেন্দ্র বদল নিয়ে আপত্তি, চলছে তদন্ত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 27, 2026 ইং
চিলখাল স্কুলে ভোটকেন্দ্র বদল নিয়ে আপত্তি, চলছে তদন্ত ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত চিলখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগামী নির্বাচনে ভোট গ্রহণের অনুকূল পরিবেশ নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীরা তীব্র আপত্তি তুলেছেন। নদীটির অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে যাতায়াত ব্যবস্থা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ও কঠিন হয়ে পড়েছে।

নতুন এই ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য রিকশা কিংবা ভ্যানগাড়ির সুব্যবস্থা নেই, যার ফলে বহু ভোটারকে বাধ্য হয়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হবে। তাছাড়া, কেন্দ্রটির আশপাশে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা দুর্ঘটনা ঘটলে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত দুরূহ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

এহেন পরিস্থিতিতে বিগত জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত পূর্বের ভোটকেন্দ্রটিই বহাল রাখার সুনির্দিষ্ট দাবিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ ভোটার ও বাসিন্দারা।

এই বিষয়ে কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্যানেল চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে তাদের কাছে কোনো ধরনের অফিসিয়াল চিঠি বা বার্তা পাঠানো হয়নি এবং পুরো বিষয়টি তাদের সম্পূর্ণ অগোচরে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান গণমাধ্যমকে জানান যে, তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুটি কেন্দ্র স্বচক্ষে পরিদর্শন করেছেন এবং দুই পক্ষের লোকজনের সঙ্গেই বিস্তারিত কথা বলেছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এলাকাবাসী তাদের কাছে নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এবং তারা সরেজমিন যা প্রত্যক্ষ করেছেন অবিকল সেটাই তদন্ত প্রতিবেদনে তুলে ধরবেন, যেখানে বিন্দুমাত্র পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই।

তদন্তকারী কর্মকর্তা রেজাউল করিম যোগ করেন যে, নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটকেন্দ্র পরিবর্তনের বিষয়ে একটি অভিযোগের চিঠি তাদের নিকট তদন্তের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কমিশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশক্রমেই তারা সরজমিন তদন্তে এসেছেন।

তিনি জানান, কেন্দ্রটি নিয়ে দুই পক্ষেরই সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তারা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজেরাও চত্বরটি ঘুরে দেখেছেন, আর এখন সম্পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদনটি তৈরি করে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এবং কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, বিতর্কিত ও আলোচিত এই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ২৭০ জন।

উক্ত মোট ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ১৮১ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৮৯ জন বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি দপ্তরে সময়মতো উপস্থিতি নিয়ে অনি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি দপ্তরে সময়মতো উপস্থিতি নিয়ে অনি