নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
শীতের আমেজে কৃত্রিম সুগন্ধিযুক্ত রূপচর্চার সামগ্রী ব্যবহার করলে সংবেদনশীল ত্বকে মারাত্মক প্রদাহ দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল মুখে এই ধরনের সুগন্ধি উপাদান খুব দ্রুত চুলকানি, লালচে ছোপ, নানা রকম অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া কিংবা একজিমার মতো চর্মরোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।
যাঁদের ফর্সা বা সংবেদনশীল মুখমণ্ডলের চামড়া অতিরিক্ত শুষ্ক প্রকৃতির এবং বেশ পাতলা, তাঁদের ক্ষেত্রে তীব্র রাসায়নিক মিশ্রিত সুগন্ধি স্প্রে বা ভারী লোশন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এই ধরনের ভারী রাসায়নিক উপাদান ত্বকের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় নষ্ট করে ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞ শোভন সাহা পরামর্শ দিয়েছেন যে, এই শুষ্ক ও ঠাণ্ডা আবহাওয়া চলাকালীন প্রসাধন সামগ্রী কেনার সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকা আবশ্যক। যেকোনো ধরনের শারীরিক জটিলতা থেকে দূরে থাকতে সুগন্ধিমুক্ত, ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানহীন কিংবা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষিত পণ্য ক্রয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
হেমন্তকালের শুষ্ক সময়ে ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ও সতেজতা টিকিয়ে রাখতে হলে পর্যাপ্ত সচেতনতা এবং উপযোগী প্রসাধন সামগ্রী বেছে নেওয়া জরুরি। বিনা কারণে তীব্র রাসায়নিক পদার্থসমৃদ্ধ কোনো পণ্য ব্যবহার না করে ত্বকের পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করাই শীতের প্রস্তুতি হিসেবে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক প্রসাধন ব্যবহারের অভ্যাস বাদ দিয়ে নিয়মিতভাবে ত্বকবান্ধব ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্যকারী প্রসাধনী ব্যবহার করা প্রয়োজন। এভাবে সঠিক পরিচর্যা করলে পুরো হেমন্তকাল জুড়ে এবং সামনের শীতের দিনগুলোতেও ত্বক থাকবে প্রদীপ্ত, মসৃণ ও জীবন্ত।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর