নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স বা জন্মতারিখ পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় অনলাইনে যাচাই করা যায় এমন শিক্ষাসনদকে প্রধান অগ্রাধিকার দিয়ে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরালো করেছে নির্বাচন কমিশন। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি দেশের সকল অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
গত ১৩ আগস্ট প্রকাশিত পরিপত্রের বিধান অনুযায়ী, যেসকল জেএসসি, মাধ্যমিক কিংবা সমমানের শিক্ষাসনদ অনলাইনে যাচাই করা সম্ভব, সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে আসা জন্মতারিখ পরিবর্তনের আবেদনগুলো ‘ক’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই আবেদনগুলো এখন থেকে নির্দিষ্ট এলাকার উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা নিজেরা নিস্পত্তি করতে পারবেন। তবে এই নিয়মের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রদান করা কোনো সনদ গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।
কমিশনের নতুন এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্মতারিখ সংশোধনসংক্রান্ত কাজের তদারকি করবেন।
এর অংশ হিসেবে লটারির মাধ্যমে বা দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার অন্তত তিনটি করে আবেদনপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে তার প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাখিল করতে হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের কাজের ওপর ভিত্তি করে তৈরি প্রতিবেদনটি ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাঠানোর কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
পরবর্তী সময়গুলোতে প্রতি মাসের কাজের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মূলত জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে নেওয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তের সঠিকতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্যই এই উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর