ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ইতালি ও গ্রিসসহ তিন দেশ থেকে দেশে ফিরলেন ৩৫ প্রবাসী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 23, 2026 ইং
ইতালি ও গ্রিসসহ তিন দেশ থেকে দেশে ফিরলেন ৩৫ প্রবাসী ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন রাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের শিকার হয়ে সর্বমোট পঁয়ত্রিশজন প্রবাসী নাগরিক স্বদেশ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেছেন। এই দলটির মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক উনিশ জন ইতালি থেকে, দশ জন গ্রিস থেকে এবং বাকি ছয় জন সাইপ্রাস থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ফিরেছেন।

বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং এয়ারপোর্ট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, নির্দিষ্ট শুক্রবারের সকালে পিভিজি নয়শ পঁয়তাল্লিশ নম্বরের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁরা রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টার্মিনালে অবতরণ করেন।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও এভিয়েশন সিকিউরিটির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে প্রত্যাগতদের প্রাথমিক ত্রাণ, মানসিক সহায়তা এবং যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময় পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই গণপ্রত্যাবাসন সম্পর্কে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান গণমাধ্যমকে জানান যে, চার্টার্ড উড়োজাহাজে করে উনিশ জন ইতালি থেকে, দশ জন গ্রিস থেকে এবং ছয় জন সাইপ্রাস থেকে দেশে ফিরেছেন।

তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, প্রত্যাশা-২ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাক যৌথভাবে এই ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে সব ধরনের সহযোগিতা করেছে। পরবর্তীতে তাঁদের মানসিক চিকিৎসা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষে পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হবে।

ইউরোপীয় অঞ্চলে বসবাসরত কাগজপত্রবিহীন বা অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ২০১৭ সনে নির্দিষ্ট ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর সাথে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস বা এসওপি নামক একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদন করেছিল।

উক্ত চুক্তির সফল বাস্তবায়নের সুবাদে বিগত বছরগুলোতে প্রায় পাঁচ হাজার অভিবাসী নিজ দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া এবং ফ্রান্স রাষ্ট্রগুলো থেকে বেশি সংখ্যায় ফেরত এসেছেন।

শরিফুল হাসান আরও যোগ করেন যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁরা ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাবাসিত ব্যক্তির তালিকা পেয়েছেন। এসব ব্যক্তিকে বিমানবন্দর অবতরণের পর জরুরি সাহায্য, কাউন্সেলিং এবং পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক অনুদান দেওয়া হয়, যেন তারা সমাজে পুনরায় নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।

পাশাপাশি জীবন বাজি রেখে অবৈধ উপায়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর মারাত্মক ঝুঁকি সম্পর্কে সমগ্র দেশজুড়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি নিরাপদ ও আইনি উপায়ে বিদেশগামী কর্মী প্রেরণের সরকারি পদক্ষেপগুলোও বর্তমানে অনেক বেশি জোরদার করা হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
মধ্যপ্রাচ্যের রাজতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ও লাতিন আমেরিকার নতুন চ্যা

মধ্যপ্রাচ্যের রাজতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ও লাতিন আমেরিকার নতুন চ্যা