ঢাকা | বঙ্গাব্দ

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করেই ছাড়বেন বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন…

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 18, 2026 ইং
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের গণরায় আদায় করেই ছাড়বেন বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন… ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘ইনিয়ে বিনিয়ে বহু লোভ লালসা আমাদেরকে দেখানো হয়েছে। আমরা ওগুলোর দিকে ফিরেও তাকাইনি, ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছি।

আমরা কথা দিচ্ছি, যে কেউ তার ইচ্ছা জাতির সাথে প্রতারণা করুক, বিরোধীদল ইনশাআল্লাহ হিমালয় পর্বতের মতো অটল থেকে লক্ষ্য পানে এগিয়ে যাবে।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘শত ইঞ্জিনিয়ারিং, চুরি-চামারির পরে জনগণ আমাদেরকে যে কয়টি আসন দিয়েছে, এই আসনের ৮৯ জন এমপি সারা দেশের ১৮ কোটি মানুষের পাহারাদার হয়ে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ।’তিনি বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, বিএনপি বদলে গেলেও আমরা আমাদের কথা বদলাবো না।’

সরকারকে উদ্দেশ্য করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাইনি তাদের পতন, চেয়েছিলাম তাদের সফলতা। তাদের সফলতা মানে দেশের সফলতা। আমরা এতদিন বলতাম আমরা সরকারকে সহযোগিতা করব, আজকে থেকে ঘোষণা দিচ্ছি ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব। এই সরকার আমাদের সহযোগিতা নিতে ব্যর্থ, ওদের কোনো যোগ্যতা নাই বিরোধীদলের সহযোগিতা নেওয়ার।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘তারা সবার আগে বাংলাদেশের স্লোগান দিলেও সবার আগে বাংলাদেশ নয়। সবার আগে তারা নিজে, নিজের পরিবার, তার সন্তান, তার ভাগিনা, তার ভাতিজা, তার শ্বশুর, তার স্ত্রী, এগুলা সবার আগে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সিন্ডিকেটের কাছে প্রিয় বাংলাদেশকে তুলে দেবো না। এ দিন শেষ। যুবকরা জেগে উঠেছে, পূর্ণ মুক্তি না আসা পর্যন্ত ওরা ঘুমাবে না। আমরা এগিয়ে যাবো এবং নব্য ফ্যাসিবাদেরও পতন হবে ইনশাআল্লাহ।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন ও গণভোট হলো, একই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একই দিনে হলো। কিন্তু নির্বাচনের পরদিন থেকেই বিএনপি ইউটার্ন। আমরা গেলাম, গিয়ে শুনলাম যে তারা একটা শপথ নিয়েছেন, আরেকটা নেন নাই।’

তিনি বলেন, ‘অতীতের ঐতিহ্য ছিল একই দিনে একদিকে বিরোধী দল দাঁড়াবে, আরেকদিকে সরকারি দল দাঁড়াবে, শপথটা একসাথে অনুষ্ঠিত হবে। তারা এবার চালাকি করে বললেন, না, আমরা সরকারি দল আলাদা শপথ নেব। মানে মূল থেকেই জাতির বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেল।’

এরপরে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন, কিন্তু সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আর শপথ নিলেন না বলে জানান জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সাত মাসের ভেতরে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। আগের স্বৈরাচার যে পথে হেঁটেছিল, হুবহু একই রাস্তা ধরেই সরকার হাটছে। বিরোধীদলকে গালে আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকবে?’

আলোচনা সভায় এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এলডিপি’র সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
রাজধানীর জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া কামরাঙ্গীরচরে আন্তর্জাতিক মজ

রাজধানীর জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া কামরাঙ্গীরচরে আন্তর্জাতিক মজ