নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কাতারে নতুন একটি ‘প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব’ খুব দ্রুত আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে শিগগিরই। দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের গবেষক মোহাম্মদ এলমাসরি এই তথ্য জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দোহায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সিকিউরিটি ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে একধরনের আশাবাদী মনোভাব লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান এই গবেষক। এলমাসরির ভাষ্যমতে, উপপ্রধানমন্ত্রী মূলত উপস্থিত সবাইকে সহনশীলতা এবং যেকোনো প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতার জোরালো বার্তা দিতে সচেষ্ট ছিলেন।
ভাষণে উপপ্রধানমন্ত্রী অতীতের উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রথম যুদ্ধের প্রসঙ্গটি পুনরায় সামনে নিয়ে আসেন, যা বেশ লক্ষণীয় ছিল বলে মনে করেন এলমাসরি। তিনি জানান, প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের পরবর্তীতে কাতার এবং গালফ কোঅপারেশন কাউন্সিল বা জিসিসির অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্র কীভাবে আরও উন্নত প্রস্তুতি নিয়ে সংকট কাটিয়ে উঠেছিল, তা ওই বক্তব্যে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সে সময় সংকট উত্তরণের পর দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামগ্রিক অর্থনীতি আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল বলে উল্লেখ করেন এলমাসরি। তার মতে, উপপ্রধানমন্ত্রী মূলত এই ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে ভবিষ্যতে চোখ রাখার এবং সব পরিস্থিতিতে আশাবাদী থাকার বার্তাটিই স্পষ্টভাবে পৌঁছে দিতে চেয়েছেন।
এলমাসরির বিশ্লেষণে, দোহা কর্তৃক ঘোষিত হতে যাওয়া এই নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বটি ভবিষ্যতে ‘সম্ভাব্যভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ ভূমিকা পালন করতে পারে। এর পাশাপাশি, ইরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী ‘আঞ্চলিক অংশীদারত্ব ও সংলাপ’ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তাও বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর