নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
বিজ্ঞানী, খেলোয়াড়, সাহিত্যিক কিংবা ধনকুবেরদের জীবনযাত্রা ভিন্ন হলেও তাঁদের শৈশবকালের বেশ কিছু অভ্যাসের মধ্যে দারুণ মিল পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে তাঁদের সফলতা অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বইপত্র পড়া, প্রতিনিয়ত নানা প্রশ্ন করা, নিয়মিত সাধনা কিংবা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার মতো গুণগুলো খুব অল্প বয়স থেকেই নিজের মধ্যে গড়ে তোলা সম্ভব। পৃথিবীখ্যাত প্রবাদপ্রতিম সফল ব্যক্তিত্বদের বর্ণিল জীবন থেকে নানা চমকপ্রদ অনুপ্রেরণা নিয়ে আজ আলোচনা করা হলো এমন দশটি সুঅভ্যাস সম্পর্কে।
প্রখ্যাত কবি সৈয়দ শামসুল হক একবার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বলেছিলেন যে পড়াশোনার বাইরে তাঁর আরও তিনটি বিশেষ উপদেশ রয়েছে, আর তা হলো পড়ো, পড়ো এবং পড়ো। বই পড়ার অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে এই চমৎকার বাণীটি অতুলনীয়। বইয়ের পাতা থেকে নিত্যনতুন তথ্য জানা যায়, মনের গভীরে কল্পনাশক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে চিন্তা করার দারুণ দক্ষতা অর্জন করা যায়। প্রযুক্তি জগতের তারকা ইলন মাস্কের ছেলেবেলাতেও বই পড়ার অভ্যাসটি বিশাল প্রভাব ফেলেছিল। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসও ছোটবেলা থেকেই নানা বিষয়ের ওপর বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসতেন। এছাড়া ওয়ারেন বাফেটের মতো খ্যাতিমান বিনিয়োগকারীরাও নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর সবসময় জোর দিয়েছেন। গল্প, বিজ্ঞান, ইতিহাস কিংবা বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী—নানা ধরনের বই পড়ার চমৎকার অভ্যাসটি আপনার পুরো জ্ঞানের জগৎকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে।
ছোটদের কৌতূহলী মনে হাজারো প্রশ্নের কখনো শেষ থাকে না; যেমন—আকাশ কেন এত নীল রঙের হয়, পিঁপড়ারা কীভাবে সবসময় সুন্দর সারি বেঁধে চলাচল করে, কিংবা চুম্বক কেন লোহাকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে?—এমন সাধারণ সব জিজ্ঞাসা থেকেই জন্ম নিতে পারে নতুন কিছু শেখার প্রবল প্রচেষ্টা। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর শৈশবে বাবার কাছ থেকে পাওয়া একটি কম্পাস দেখে গভীরভাবে বিস্মিত হয়েছিলেন। কম্পাসের ছোট কাঁটাটি কেন সবসময় একটি নির্দিষ্ট দিকে ঘুরে যায়, সেই রহস্যময় ব্যাপারটি তাঁকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তুলেছিল। পরবর্তীতে তিনি বড় হয়ে প্রকৃতির নানামুখী জটিল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করেছিলেন। তাই মনের ভেতরের এই কৌতূহল সবসময় টিকিয়ে রাখুন, প্রশ্ন করতে শিখুন এবং সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর নিজেই খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। কেননা, ইতিহাসের বহু যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হয়েছিল একটিমাত্র সাধারণ প্রশ্ন থেকে।
ইংরেজি প্রবাদে একটি কথা অত্যন্ত জনপ্রিয় যে নিয়মিত অনুশীলন মানুষকে নিখুঁত করে তোলে। যেকোনো বিষয়ে পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে চাইলে নিয়মতান্ত্রিক চর্চার কোনো বিকল্প হতে পারে না। বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের অবিশ্বাস্য সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে চালিয়ে যাওয়া কঠোর অনুশীলন। শুধু খেলাধুলার ময়দানেই নয়, বরং বিজ্ঞানী, সুরকার ও লেখকদের ক্ষেত্রেও ঠিক একই নিয়ম পুরোপুরি প্রযোজ্য। একটি কঠিন অঙ্ক বারবার খাতায় সমাধান করা, কোনো বাদ্যযন্ত্র নিয়মিত বাজানো কিংবা সুন্দর গল্প লেখার নিরলস চর্চা—এই প্রতিটি কাজেই পর্যাপ্ত সময় দিতে হয়। কোনো কিছুতে প্রথমবারেই খুব ভালো ফলাফল না পেলে হতাশ হয়ে পড়া উচিত নয়। বরং নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে গেলে নিজের ভেতরকার উন্নতি নিজেই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন।
ছোটবেলা থেকেই জীবনের কোনো বিষয়ের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেওয়া, নতুন কিছু করে দেখানোর চেষ্টা করা কিংবা নিজের উপার্জনের নিজস্ব পথ খুঁজে নেওয়া ভবিষ্যতে বড় কোনো কাজে দারুণভাবে সহায়তা করতে পারে। খ্যাতিমান বিনিয়োগকারী ও সফল ব্যবসায়ী ওয়ারেন বাফেট তাঁর ছোটবেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে চুইংগাম বিক্রি করতেন। পরবর্তীতে তিনি খবরের কাগজ বিলি করার মতো কাজ করেও নিজ হাতে অর্থ উপার্জন করেছিলেন। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের এই বাস্তব অভিজ্ঞতাগুলো থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে ছোট আকারের উদ্যোগ থেকেও শেখার মতো অনেক কিছু থাকে। আপনার মনের ভেতরের যেকোনো আইডিয়া বা ধারণা বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করুন। স্কুলের বিভিন্ন প্রকল্পে নিজ দায়িত্বে অংশ নিন, কোনো জটিল সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজুন কিংবা সম্পূর্ণ নতুন কিছু নিজে তৈরি করার চেষ্টা করুন। এভাবে ছোটখাটো উদ্যোগ নেওয়ার অভ্যাস আপনাকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারে।
বিখ্যাত অ্যানিমেশন জাদুকর ওয়াল্ট ডিজনির একটি অতি জনপ্রিয় উক্তি হলো যে আমাদের সকল স্বপ্নই একসময় সত্যে পরিণত হতে পারে, যদি সেই স্বপ্নগুলো পূরণ করার মতো পর্যাপ্ত সাহস আমাদের মনের ভেতর থাকে। জীবনে যেকোনো কাজে ব্যর্থ হলে অনেকেই দ্রুত চেষ্টা করা চিরতরে ছেড়ে দেন। কিন্তু একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার যে ব্যর্থতার অর্থ এই নয় যে সবকিছু একেবারে শেষ হয়ে গেছে। বরং এর মাধ্যমে নিজের কোথায় ভুল হয়েছিল, তা সঠিকভাবে অনুধাবন করার দারুণ একটি সুযোগ তৈরি হয়। ফুটবল জাদুকর মেসি ও রোনালদো—উভয়কেই তাঁদের দীর্ঘ বর্ণিল ক্যারিয়ারের পথে নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। শারীরিক নানা সমস্যা, তীব্র প্রতিযোগিতা কিংবা অর্জিত প্রত্যাশার পাহাড়সম চাপ সফলভাবে সামলেই তাঁদের সবসময় সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়েছে। নিজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে চাইলে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে, প্রতিটি ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণ নতুন কৌশলে পুনরায় চেষ্টা চালাতে হবে। শুধু জেদের বশে একই কাজ বারবার করে যাওয়া নয়, বরং নিজের ভুলগুলো বুঝতে পেরে সময়মতো নিজেকে বদলে ফেলাও অত্যন্ত জরুরি।
মানবদেহের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা আমাদের পুরো জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অভ্যাস। নিয়মিত খেলাধুলা করা, বাইরে হাঁটাহাঁটি করা কিংবা বয়স উপযোগী বিভিন্ন ব্যায়াম করা শরীরকে সবসময় চটপটে ও সক্রিয় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে। পেশাদার খেলোয়াড়দের জন্য শারীরিক অনুশীলন অত্যন্ত অপরিহার্য একটি বিষয়। তবে কেবল খেলোয়াড় নন, বরং বিজ্ঞানী, লেখক কিংবা সফল উদ্যোক্তা—প্রত্যেকের ব্যক্তিগত জীবনেই শরীরের সঠিক যত্ন নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে একটানা পড়াশোনা বা দাপ্তরিক কাজ করার ফাঁকে সামান্য হাঁটাহাঁটি করুন, বন্ধুদের সাথে মিলে খেলাধুলা করুন এবং রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান। মনে রাখবেন যে শরীর সুস্থ রাখার জন্য যেমন নিয়মতান্ত্রিক শরীরচর্চা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি মানসিক ও শারীরিক বিশ্রামেরও সমান গুরুত্ব রয়েছে।
সৃজনশীল যেকোনো কাজ মানুষকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে চিন্তা করতে ও ভাবতে শেখায়। চমৎকার গান গাওয়া, সুন্দর ছবি আঁকা, সুললিত ভাষায় গল্প লেখা, কোনো বাদ্যযন্ত্র নিখুঁতভাবে বাজানো কিংবা নিজের হাতের ছোঁয়ায় কোনো কিছু তৈরি করার মাধ্যমে চিন্তাভাবনার সম্পূর্ণ নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন অবসরে অত্যন্ত চমৎকারভাবে বেহালা বাজাতে ভালোবাসতেন। বিজ্ঞান সাধনার পাশাপাশি সংগীতের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের কথা সর্বজনবিদিত। আপনার মধ্যেও হয়তো সুন্দর ছবি আঁকার, মিষ্টি সুরে গান গাওয়ার কিংবা কোনো ঘড়ি বা যন্ত্র খুলে তার ভেتরের নানা কলকবজা খুঁটিয়ে দেখার প্রবল শখ থাকতে পারে। নিজের ভালো লাগার কাজটি নিয়মিত চর্চা করুন। সব কাজেই যে আপনাকে সেরা হতে হবে এমন কোনো কথা নেই, মূলত নতুন কিছু শেখার মাঝেই রয়েছে আসল আনন্দ।
দার্শনিক ফ্রান্সিস বেকনের একটি বিখ্যাত উক্তি হলো যে একটি বিচক্ষণ প্রশ্ন করা মানে হলো প্রজ্ঞার অর্ধেক অর্জন করা। অন্যের কথা অন্ধের মতো শুনে সবকিছু বিনা বাক্যে মেনে নেওয়ার আগে নিজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শিখুন। সমাজে প্রচলিত যেকোনো তথ্য শোনার পর তার সত্যতা সঠিকভাবে যাচাই করুন, এর পেছনে উপযুক্ত যুক্তি খুঁজুন এবং অন্য সবার ভিন্নমত ধৈর্য ধরে শোনার চেষ্টা করুন। আইনস্টাইনের মতো বিশ্বমানের বিজ্ঞানীরা সবসময় সমাজে প্রচলিত গতানুগতিক ধারণাগুলোকে কঠোরভাবে চ্যালেঞ্জ করেছেন এবং প্রকৃতির অন্তর্নিহিত নিয়মগুলো গভীরভাবে অনুধাবন করার জন্য সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে চিন্তা করেছেন। তবে নিজের মতামতের পক্ষে অনড় থাকার অর্থ এই নয় যে আপনি অন্য কারও কথা একদম শুনবেন না। বরং সঠিক যুক্তি দিয়ে সবকিছু বিচার করা, নিজের ভুল প্রমাণিত হলে তা বড় মনে স্বীকার করা এবং নতুন তথ্য থেকে সবসময় শেখার মানসিকতাই হলো স্বাধীন চিন্তার আসল বহিঃপ্রকাশ।
স্টিভ জবসের নামানুসারে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি উক্তি রয়েছে যে সময় হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। নিজের মূল্যবান সময়কে সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর অর্থ এই নয় যে আপনাকে প্রতিটি মুহূর্ত কেবল বই নিয়ে পড়ে থাকতে হবে কিংবা একটানা কাজ করে যেতে হবে। খেলাধুলা করা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং মনের আনন্দে বিনোদন উপভোগ করারও সমান প্রয়োজন রয়েছে। তবে আপনার দৈনন্দিন জীবনের কোন কাজটি কখন সম্পন্ন করবেন, তার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো কাজ খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে করা সহজ হয়। বিশ্বের বহু সফল মানুষই দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত ধৈর্য ও মনোযোগের সাথে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করে গেছেন। আপনিও আপনার পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং নিজের ভালো লাগার বিশেষ কাজের জন্য আলাদা করে সময় বরাদ্দ করতে পারেন। প্রতিদিন নিয়ম করে খুব অল্প অল্প করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চমৎকার অভ্যাসটি গড়ে তুলুন। এই ধারাবাহিকতাই একদিন আপনার অনেক বড় কোনো লক্ষ্য অর্জনের পথকে দারুণভাবে সহজ করে দিতে পারে।
মানুষের মনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য তাকে সবসময় সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রবল অনুপ্রেরণা জোগায়। কারও সুনির্দিষ্ট ইচ্ছে থাকে দক্ষ ফুটবলার হওয়ার, কেউ হতে চান বিখ্যাত বিজ্ঞানী, কেউ বা আবার খ্যাতিমান লেখক, আবার অনেকে নতুন কিছু উদ্ভাবন করার তীব্র বাসনা লালন করেন। লেখক ও বিশিষ্ট নারীবাদী চিন্তাবিদ গ্লোরিয়া স্টাইনেমের নামে প্রচলিত একটি চমৎকার উক্তি হলো যে সুন্দর স্বপ্ন দেখা মানে আসলে একধরনের নিখুঁত পরিকল্পনা করা। কেবল অলসভাবে স্বপ্ন দেখলে কখনোই চলবে না, সেই স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রমও করতে হবে। নিজের ভেতরকার আসল আগ্রহ খুঁজে বের করুন, ছোট ছোট নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করুন এবং সেগুলো পূরণের জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যান। সময়ের গতির সাথে সাথে আপনার আগ্রহের পরিবর্তন হতে পারে, তাই নতুন কিছু শেখার সুবর্ণ সুযোগ সবসময় নিজের জন্য উন্মুক্ত রাখুন।
জীবনে পরিপূর্ণভাবে সফল হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো একটিমাত্র চাবিকাঠি নেই। সবার ব্যক্তিগত জীবন, প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। তবে মনের ভেতরের কৌতূহল সবসময় টিকিয়ে রাখা, নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাওয়া, অতীতের যেকোনো ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং নিজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের পানে অবিচলভাবে এগিয়ে যাওয়ার অভ্যাসগুলো আপনার বাস্তব জীবনে দারুণভাবে কাজে লাগতে পারে। এই চমৎকার অভ্যাসগুলো নিজের মধ্যে গড়ে তোলার জন্য কোনো বিরাট বা বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আদৌ কোনো প্রয়োজন নেই। আজকের এই মুহূর্ত থেকেই আপনি বই পড়ার সুন্দর অভ্যাসটি, কোনো নতুন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা কিংবা নতুন কোনো দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আপনার মহাযাত্রা শুরু করতে পারেন।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর