নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মাদ্রাসাশিক্ষক কর্তৃক এক শিশুছাত্রীকে ধর্ষণের ফলে তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার আলোচিত ঘটনায় বিচারিক কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এই মামলায় আজ বুধবার উভয় পক্ষের আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুনানি শেষ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. নূরুল কবীর রুবেল। আদালতের বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এ দিন রাষ্ট্রপক্ষের যাবতীয় নথিপত্র বিচারকের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জানান, তারা আদালতের কাছে এই মামলার অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। বিচার শেষে অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে বলে জোরালো আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এর আগে এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আক্তারুজ্জামান গত ২৮ আগস্ট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন ও অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সেই অভিযোগপত্রে মূল অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদি ওরফে সাগর ছাড়াও তাঁর ভাই ৩২ বছর বয়সী মাইমুন ওরফে মামুন মিয়াকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার নথিপত্র ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় উপস্থিত হয়ে শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয় যে, মাদ্রাসাশিক্ষক সাগর ওই শিশুছাত্রীকে প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে একটি সন্তান প্রসব করে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর