নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে আয়োজিত হতে যাওয়া অষ্টম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মৌখিক সম্মতি প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। এই সাক্ষাতের সময় তাঁরা রাষ্ট্রপতির হাতে সমাবর্তনের আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন এবং তাঁর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনাকালে প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির কাছে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা উল্লেখ করেন যে, মর্যাদাপূর্ণ জেসাপ আন্তর্জাতিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালসহ মোট চারবার জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
পাশাপাশি, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বা একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতির সামনে উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০০ কোটি টাকারও অধিক বৃত্তি প্রদান করেছে বলে প্রতিনিধিদল জানান। তাঁরা আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে নিয়মিতভাবে প্রতিবছর প্রায় ৬ কোটি টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
এই ধরনের আর্থিক সহায়তা একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে উৎসাহিত করছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথকে আরও সুগম করে তুলছে।
শিক্ষার্থীদের এসব অর্জনের কথা শোনার পর রাষ্ট্রপতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম নিয়ে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি আধুনিক জ্ঞান, বিজ্ঞান এবং তথ্যপ্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে চলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও গতিশীল করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করতে হবে। এর জন্য উচ্চশিক্ষার মান উন্নত করা, গবেষণার পরিধি বৃদ্ধি করা এবং নতুন উদ্ভাবন জোরদার করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
উভয়পক্ষের এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলোচনা চলাকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব এবং প্রেস সচিব উভয়েই উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর