নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মৎস্যজীবীদের বনদস্যুদের আক্রমণ থেকে নিরাপদ রাখতে বিশেষ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে বন বিভাগ। জেলেদের বলা হয়েছে যাতে তারা তাদের নৌকাগুলো পরস্পরের কাছাকাছি রাখেন এবং কোনোক্রমেই গভীর সমুদ্র কিংবা গহিন বনে প্রবেশ না করেন।
বন বিভাগের পাশাপাশি উপকূলীয় এই সুরক্ষায় বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং কোস্ট গার্ড।
মৎস্য দপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যানে জানা যায়, দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের বঙ্গোপসাগরের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনসহ সমগ্র জলসীমার আয়তন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার।
এই বিশাল জলসীমায় মাছ ধরার কার্যক্রম মূলত ২০০ মিটার গভীরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ২৩৭টি শিল্প ট্রলারের পাশাপাশি ২৮ হাজার ৫৭৫টি যান্ত্রিক ও প্রচলিত নৌকা মৎস্য আহরণে নিয়োজিত রয়েছে।
শুধু খুলনা জেলাতেই বর্তমানে ৪১ হাজার ৬৪৫ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এর মধ্যে পাইকগাছা, কয়রা, দাকোপ, রূপসা ও ডুমুরিয়া উপজেলার প্রায় সাড়ে ৩১ হাজার জেলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান।
প্রতি বছরই এই পেশায় জড়িত মানুষের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমন, শুধু পাইকগাছা উপজেলার ১০টি গ্রামেই জেলের সংখ্যা দেড় হাজারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ৩ লাখ জেলে বসবাস করছেন।
এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ সদস্যই ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকার সাহায্যে সমুদ্র এবং উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর