নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে আলোচকরা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, দুর্ঘটনা রোধ করতে হলে চালু থাকা নীতিমালা সঠিকভাবে প্রয়োগ করার পাশাপাশি চলাচলকারীদের মানসিকতা ও আচরণে পরিবর্তন আনা জরুরি। বিশেষ করে পরিবহন চালকদের নির্দিষ্ট সময়সীমার বেশি কাজ না করানো, অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় স্টিয়ারিং ধরা থেকে বিরত রাখা, দ্রুতগতিতে গাড়ি ছোটানো রোধ করা এবং বিপজ্জনকভাবে পাশ কাটানো বন্ধ করার ওপর বিশেষ জোর দেন তারা।
সাধারণ পথচারীদের চলাচলের ক্ষেত্রে উড়ালসেতু ও ভূগর্ভস্ত পথ ব্যবহারের অভ্যাস গড়ার তাগিদ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট বাস স্টপেজে যানবাহন থামানো এবং নিরাপদ স্থানে যাত্রী ওঠানামা করানোর সুব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে আলোচকরা জানান যে, সড়ক সুরক্ষা বজায় রাখতে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ, হাইওয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, বিআরটিএ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত কার্যক্রম অপরিহার্য। এছাড়া গাড়ি মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের আন্তরিক অংশগ্রহণও নিশ্চিত করা বাঞ্ছনীয়।
উক্ত সভা সমাপ্তির পর অনুষ্ঠানে নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের দীর্ঘ রেকর্ড রয়েছে এমন চারজন দক্ষ চালককে তাদের অনুকরণীয় ভূমিকার জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর