নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমানের পাবলিক পরীক্ষার সামগ্রিক ফলাফল মনের মতো হয়নি বলে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, শিখন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের যেসব দুর্বলতা বা ঘাটতি রয়ে গিয়েছিল, বর্তমান ফলাফলে সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে এই সমস্যা সমাধানে বিশেষ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। গত শনিবার সরকারি কর্মালয় হিসেবে পরিচিত সচিবালয়ে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের নির্ধারিত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী মহোদয় এই মূল্যায়ন করেন।
পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় শিক্ষার্থীদের কৃতকার্য হওয়ার হার আরও নিচে নেমে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, এই পাসের হার হ্রাসের ঘটনাটি কোনোভাবেই সন্তোষজনক বা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। শিক্ষাদানের প্রচলিত প্রণালীতে বড় ধরনের ত্রুটি ও ঘাটতি বিদ্যমান রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ঘাটতির জায়গাগুলো চিহ্নিত করে নতুনভাবে নির্ধারণ করতে হবে এবং তা দূরীকরণের জন্য যথাযথ কার্যক্রম হাতে নেওয়া নীতিনির্ধারকদের অবশ্যপালনীয় দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
সর্বশেষ প্রকাশিত এই ফলাফল নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে সরকারের এই দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করেন যে, মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অসঙ্গতি বা ত্রুটি রয়েছে কি না, তা খাতাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন করার পরেই কেবল নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।
সামাজিক ও শিক্ষাগত পরিমণ্ডলে আগামী দিনগুলোতে আরও অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনার প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী জানান যে, দেশের প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে চান পরীক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত হোক এবং কোনো শিক্ষার্থীকেই যেন তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত বা অবমূল্যায়ন করা না হয়।
উল্লেখ্য যে, উক্ত প্রকাশিত ফলাফল ঘোষণার নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পাসের হার, জিপিএ ফাইভ এবং অন্যান্য পরিসংখ্যানগত নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও শিক্ষাবিষয়ক সম্মানিত উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর