নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বিশিষ্ট দার্শনিক পিটার সিঙ্গার মন্তব্য করেছেন যে, কেবল একটি ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমেই পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের সাধারণ মানুষ ಅತ್ಯುচ্চ মানের স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত পরামর্শ গ্রহণ করতে সক্ষম। তবে একই সঙ্গে তিনি প্রযুক্তিগত এই অগ্রগতির ফলে কর্মসংস্থান খাতে আসন্ন বড় ধরনের রূপান্তরের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
শ্রমিক শ্রেণির মানুষের আয় হ্রাসের মাধ্যমে সেই অর্থ যেন শেষ পর্যন্ত উন্নত বিশ্বের ক্ষমতাধর প্রযুক্তি জায়ান্টগুলোর কুক্ষিগত না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার তাগিদ দেন তিনি। এই জটিল সংকট উত্তরণে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়ার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্বজনীন বা ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম ব্যবস্থার তহবিলে অর্থ প্রদানে বাধ্য করার জোরালো প্রস্তাব পেশ করেন এই চিন্তাবিদ।
কর্মসংস্থানের বৃহত্তর সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, পেশা কেবল জীবিকা নির্বাহের একটি মাধ্যম মাত্র নয়, বরং এটি মানুষকে কর্মমুখর রাখে এবং জীবনের নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা অর্থ খুঁজে পেতে সহায়তা করে। সে কারণে যেসব পেশা বা কাজ কোনোভাবেই যন্ত্র বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়, সেগুলোর সামাজিক মূল্যায়ন ও গুরুত্ব রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
উল্লেখ্য, অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার মহামান্য হাইকমিশনার সুসান রাইলসহ ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সম্মানিত বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী, উদ্দীপ্ত শিক্ষার্থী এবং ব্র্যাক পরিবারের অন্যান্য বিশিষ্ট সদস্যগণ সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর