নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা গেছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া দ্বিপক্ষীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।
অন্যদিকে, ওই বৈঠকে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব একসিরি পিন্তারুচি।
উভয় পক্ষের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পেশ করা বিভিন্ন প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেছে থাইল্যান্ড।
뿐만 아니라 (তাছাড়া), দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ নিয়ে অতি দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে থাই সরকার।
দুই দেশের চলমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার এই সুনির্দিষ্ট উদ্যোগে বিশেষ করে ওষুধ শিল্প এবং পাটপণ্যকে প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে সামনে নিয়ে আসার মূল কারণ হলো, এই খাত দুটিতে বাংলাদেশের শক্তিশালী রপ্তানি সক্ষমতা রয়েছে।
তবে প্রতিযোগিতামূলক থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশি এসব পণ্যের প্রবেশ ও প্রসার বাড়াতে হলে সেখানকার আমদানি শুল্ক, মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া, পণ্যের নিবন্ধন এবং সার্বিক বাজারজাতকরণের জটিল শর্তগুলো সহজ করা অত্যন্ত জরুরি।
এই বাস্তবতায় থাই বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অবস্থান সুদৃঢ় করতে শুল্ক হ্রাসের জোরালো দাবির পাশাপাশি সামগ্রিক ক্ষেত্রে আমদানি বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবও আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর