নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাজধানীর একটি প্রতিষ্ঠানে পবিত্র কোরআনে হাফেজ হওয়া সত্তর জন শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা জানানো হয়েছে। এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ওয়ারী অঞ্চলের উপপুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন সামি।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেন যে ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সাধারণ শিক্ষায় কিশোরদের দক্ষ করে তোলার প্রচেষ্টা খুবই যথোপযুক্ত। এমন পঠনপাঠন ব্যবস্থা তরুণদের মেধা, দৃঢ় নৈতিকতা এবং গভীর দেশপ্রেমে বলীয়ান নাগরিক হিসেবে তৈরি হতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ নবী উল্লাহ নবী। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান যে ধর্মীয় আলোর পাশাপাশি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষায় এগিয়ে নেওয়া একটি দারুণ প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।
সাবেক এই মেয়র আরও যোগ করেন যে নীতিবান সমাজ বিনির্মাণে এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ মেহমান হিসেবে সেখানে অংশ নেন শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ব্যক্তি ফেরদৌস হোসেন রনি।
বিশেষ মেহমান দুই ধারার মিশ্রিত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন যে নৈতিক মূল্যবোধ ও আধুনিক শিক্ষার এই অপূর্ব মেলবন্ধন আগামী প্রজন্মকে আধুনিক যুগের উপযোগী ও আদর্শ মানুষরূপে গড়ে তুলবে।
সভাপতির ভাষণে মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ মুসা খান শ্রোতাদের জানান যে কিশোরদের কোরআনের হাফেজ বানানোর পাশাপাশি সমসাময়িক সাধারণ শিক্ষায় দক্ষ করে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সত্তর জন খুদে শিক্ষার্থীর এই সাফল্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষালয়ের যৌথ সাধনার ফসল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনগুলোতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সাধারণ বিদ্যার সঙ্গে হিফজ বিভাগের এই সফল সমন্বয় ধারায় আগামী দুই হাজার সাতাশ সালে প্রতিষ্ঠানটির চল্লিশ জন শিক্ষার্থী প্রথমবারের মতো সরাসরি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর