নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশন এলাকায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে রুনা লায়লা নামের এক স্কুলশিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। নিহত এই নারী শিক্ষক সৈয়দপুর শহরের বাসিন্দা এবং স্থানীয় আল-ফারুক স্কুলের বাংলা বিষয়ের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহত শিক্ষিকার স্বামী আব্দুল আউয়ালও একজন শিক্ষক। তিনি সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় শিক্ষক দম্পতির পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
স্থানীয় লোকজন ও রেলওয়ে সূত্রে বিস্তারিত জানা যায়, নির্দিষ্ট সময়ে চলাচলীন্তন চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী যাত্রীবাহী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রেনটি পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে প্রবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
জংশন এলাকায় পৌঁছানোর ওই মুহূর্তেই আকস্মিকভাবে ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন শিক্ষিকা রুনা লায়লা। ঘটনাস্থলেই তাঁর প্রাণহানি ঘটে, যা রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
এদিকে রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ওই শিক্ষিকা জংশন এলাকায় কেন এসেছিলেন এবং কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তিনি নিজে থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছিলেন কি না, কিংবা রেললাই পারাপারের সময় কোনো ধরনের অসাবধানতাবশত এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর