নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা আওয়ামী লীগের নেতাদের গোপন বৈঠকে মিলিত হওয়ার একটি বিষয় নিয়ে সিলেটের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই সভাটি ঠিক কোন স্থানে বা কোন সময়ে আয়োজন করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী নিজের মতামত তুলে ধরেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে দলটির কার্যক্রম তো বর্তমানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও উল্লেখ করেন, এখন যদি কোনো ব্যক্তি নিজ ঘরের ভেতর দরজা বন্ধ করে গোপনে কোনো ধরনের কর্মসূচি পালন করেন, তবে সে সম্পর্কে বলার মতো কিছু থাকে না। এই পরিস্থিতির মূল অর্থ হলো দলটির অভ্যন্তরীণ পচন ধরেছে।
ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এই পচন প্রক্রিয়া এমন একটি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা কোনো নির্দিষ্ট স্থান প্রকাশ না করেই এই কাজ করছে। এটিকে কোনোভাবেই বৈধ রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে গণ্য করা চলে না।
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত এই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
অন্যদিকে, এই পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে সিলেট মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) মো. আফজাল হোসেন গণমাধ্যমকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, তারা বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেখতে পেয়েছেন। তবে এটি কোথায় সংঘটিত হয়েছে, সেই সুনির্দিষ্ট স্থানটি তাদের জানা নেই।
মো. আফজাল হোসেন আরও জানান, ঘটনাটি ঠিক কোন সময়ের, সে সম্পর্কেও তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। এমনকি এটি সাম্প্রতিক কোনো ঘটনা কি না, তা তারা এখনও শনাক্ত করতে পারেননি।
পুলিশের এই উপপুলিশ কমিশনার নিশ্চিত করেছেন যে, এটি আসলেই কোন জায়গার ঘটনা এবং কখন এটি রেকর্ড করা হয়েছে, তা জানতে তাদের নিজস্ব লোকজনকে কাজে লাগিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর