নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
দুই বছর আগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করেও চাকরির পেছনে ঘুরে চলেছেন সাব্বির রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ হলেও তাঁর প্রতিদিনের রুটিনে এখনো বই নিয়ে বসার সংগ্রাম বজায় রয়েছে। তবে বর্তমানের এই বইগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পাঠ্যক্রম নেই, রয়েছে শুধু বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক নানা বিষয়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে একটি মেসে বন্ধুদের সঙ্গে বসবাস করে তিনি নিয়মিত সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু এখনো মেলেনি কোনো সাফল্যের দেখা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইলের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সমাজকর্ম বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন তিনি। পড়াশোনার পাট চুকিয়ে হাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে এই সার্টিফিকেট আসলে কতটা কার্যকর বা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে, তা নিয়ে নিজেই গভীর সংশয়ে আছেন এই তরুণ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একেবারে প্রথম দিনটির সোনালী স্মৃতির কথা স্মরণ করে তিনি জানান, সেদিন মনে যতখানি আনন্দ ও উৎসাহ কাজ করেছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে এসে ঠিক সমপরিমাণ হতাশা তাঁকে গ্রাস করেছে।
সাব্বির একা নন, বরং তাঁর মতো এমন তীব্র হতাশার সাগরে ভেসে বেড়াচ্ছেন দেশের অসংখ্য তরুণ সমাজ। দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ ও হার আগের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়েনি। এর পাশাপাশি দেশের বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মীও সরবরাহ করতে পারছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট গ্র্যাজুয়েটদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজ থেকে পাস করে বের হন। এই বিশাল অংশের শিক্ষার্থীরা মূলত সমাজবিজ্ঞান, মানবিক বিভাগ, ব্যবসায় শিক্ষা এবং তুলনামূলক কম সংখ্যক বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তবে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে গিয়ে এই বৃহৎ শিক্ষার্থীর একটি বড় অংশই প্রয়োজনীয় দক্ষতার তীব্র ঘাটতির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ।
বিশেষায়িত বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে এই সংকটের চিত্রটি আরও বেশি স্পষ্ট ও উদ্বেগের হয়ে উঠেছে। অনেক চাকরির প্রার্থীই প্রযুক্তিগত বিষয়ের ওপর সাধারণ বা প্রাথমিক ধারণা রাখেন। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যবসায়িক সমস্যা গভীরভাবে উপলব্ধি করা, নতুন কোনো পণ্য প্রস্তুত করা কিংবা বাস্তবভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ ঘটানোর মতো প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তাঁদের অনেকের মাঝেই অনুপস্থিত রয়েছে। দেশীয় অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম ‘মার্কোপোলো ডটএআই’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও উদ্যোক্তা তাসফিয়া তাসবিনও তাঁর বাস্তব কর্মজীবনে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠানের একেকটি শূন্য পদের বিপরীতে শত শত প্রার্থী আবেদনপত্র জমা দেন। অথচ সুনির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য আয়োজিত পরীক্ষায় ১০ থেকে ১৫ জনের বেশি প্রার্থী ভালো ফলাফল করতে পারেন না। পরিশেষে দেখা যায়, চূড়ান্ত নিয়োগের উপযোগী প্রার্থী পাওয়া যায় মাত্র পাঁচ থেকে ছয়জন। তাঁর মূল মূল্যায়নে স্পষ্ট হয়েছে যে দেশে চাকরিপ্রার্থীর কোনো কমতি নেই, আসল অভাবটি হলো যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীর।
যোগ্য প্রার্থী খুঁজে না পাওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে তাঁদের বিদেশি কর্মীদের ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমের সাহায্যে কাজ করাতে হয় বলে জানান তাসফিয়া। এর ফলে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে বা প্রয়োজনীয় খাতে বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন এই নারী উদ্যোক্তা। তাঁর সুনির্দিষ্ট পরামর্শ হলো, নতুন পাঠ্যক্রম প্রণয়নের সময় সংশ্লিষ্ট খাতের বাস্তব বিশেষজ্ঞদের অবশ্যই যুক্ত করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইন্টার্নশিপের সুযোগ আরও বেশি পরিমাণে বাড়াতে হবে।
শিল্পমালিকেরা যখন যোগ্য ও দক্ষ কর্মীর চরম সংকটের কথা বারবার তুলে ধরছেন, ঠিক তার বিপরীত চিত্র দেখা যায় যেসব কাজে তুলনামূলক কম দক্ষতার প্রয়োজন হয়, সেখানে। ওই সমস্ত পদে চাকরির জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সম্প্রতি সমাজসেবা অধিদপ্তরের ১৬তম গ্রেডের ৩১২টি শূন্য পদের বিপরীতে সারাদেশে মোট ১২ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৯টি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৯৫৬ জন প্রার্থী।
১৬তম গ্রেডের এই চাকরিগুলোকে মূলত তৃতীয় শ্রেণির প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক বিভিন্ন সহায়ক কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। অথচ দেশের উচ্চশিক্ষিত তরুণ সমাজের একটি বিরাট অংশ এখন এই ধরনের নিম্নস্তরের চাকরিতেই নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষার জন্য গভীর আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এই প্রতিবেদনের একদম শুরুতে যার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল, সেই সাব্বির রহমানও ঠিক এই ১৬তম গ্রেডের পদের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও এমন অদ্ভুত প্রেক্ষাপট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছেন দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদেরা। সরকারি চাকরির বাজারে কেবল কম দক্ষতাসম্পন্ন তরুণেরাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন এমন নয়, বরং বর্তমান সামাজিক প্রেক্ষাপট এবং নিজেদের ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার কথা গভীরভাবে চিন্তা করে অনেক উচ্চশিক্ষিত তরুণও বাধ্য হয়ে নিম্নস্তরের সরকারি চাকরির দিকে ঝুঁকছেন।
শুধু সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেই যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে এমন নয়, বেসরকারি খাতের চাকরি খোঁজার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিডিজবসের প্রকাশিত তথ্যেও একই হতাশার চিত্র ফুটে ওঠে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা যেসব চাকরির বিজ্ঞপ্তি নিয়মিত প্রকাশ করে থাকে, সেগুলোর প্রতি পদের বিপরীতে বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫১৩ জন করে চাকরিপ্রার্থী আবেদন করে চলেছেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত সময়ের হিসাব পর্যালোচনা করে এই তথ্য জানিয়েছে দেশের এই শীর্ষস্থানীয় জব পোর্টাল।
শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার মতো উপযোগী কর্মী পাওয়া যায় মোটে পাঁচ থেকে ছয়জন। এই প্রসঙ্গে উদ্যোক্তার কণ্ঠে আবারও প্রতিধ্বনিত হয়েছে সেই চিরসত্য কথাটি—আবেদনকারীর এখানে কোনো অভাব নেই, আসল অভাবটা হলো যোগ্য প্রার্থীর।
গত আট বছরের ব্যবধানে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণে এসে ঠেকেছে। দেশে আগের তুলনায় শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ঠিক কতখানি বৃদ্ধি পেয়েছে, তা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত জরিপের দিকে তাকালেই পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। এই সরকারি সংস্থাটির সাম্প্রতিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে স্নাতক পাস করা বেকারের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৫ হাজার। আর ২০২৪ সালে এসে সেই সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজারে, যার মধ্যে পুরুষ বেকার ৫ লাখ ৫৭ হাজার এবং নারী বেকারের সংখ্যা ৩ লাখ ২৮ হাজার। অর্থাৎ দীর্ঘ আট বছরের এই ব্যবধানে দেশে নতুন করে আরও ৪ লাখ ৮০ হাজার উচ্চশিক্ষিত বেকার মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই বৃদ্ধির হার শতাংশের হিসাবে প্রায় ১১৯ শতাংশ।
উক্ত জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উচ্চশিক্ষিত বেকারের এই বিশাল সংখ্যা শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে অনেক বেশি পরিমাণে রয়েছে। মোট উচ্চশিক্ষিত বেকারদের মধ্যে ৫ লাখ ৭১ হাজার জনই গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে এই সংখ্যাটি হলো ৩ লাখ ১৪ হাজার। তাঁদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সিংহভাগই দেশের তরুণ সমাজ। মোট বেকারের প্রায় ৭৬ দশমিক ৩ শতাংশের বয়সই ১৫ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
আমাদের দেশে শিক্ষিত তরুণ সমাজ বছরের পর বছর ধরে বেকার জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়ার পেছনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদেরা। ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত ল্যাব ও প্রয়োজনীয় গবেষণার চরম অভাব এবং দেশের বর্তমান কর্মবাজারের প্রকৃত চাহিদা ও প্রচলিত পাঠ্যক্রমের মধ্যে বিশাল অমিল—এগুলোই হলো তার মূল কারণ। অন্যদিকে, সৌভাগ্যক্রমে যাঁরা কোনো না কোনো কাজে যুক্ত হতে পারছেন, তাঁদেরও অত্যন্ত স্বল্পসংখ্যক মানুষ মিশ্র অর্থনীতির বহুমুখী কর্মকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হচ্ছেন।
উচ্চশিক্ষিত তরুণদের হাতে মর্যাদাপূর্ণ সনদ বা সার্টিফিকেট রয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা কাঙ্ক্ষিত চাকরিটি লাভ করতে পারছেন না। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই গভীর সমস্যার মূল শিকড়টি আসলে কোথায় প্রোথিত—দক্ষতার নাকি ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার নাকি শিল্প খাত প্রয়োজনীয় কাজ তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে?
বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষিত তরুণদের দীর্ঘমেয়াদি বেকারত্বের পেছনে মূলত ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার ঘাটতি দায়ী। আবার অর্থনীতিবিদদের সুনির্দিষ্ট মতে, ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে নতুন নতুন খাত যুক্ত করার বিকল্প নেই। আর সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই কেবল প্রচুর পরিমাণে গ্র্যাজুয়েট তৈরি করলেই চলবে না, বরং প্রয়োজন হবে অত্যন্ত দক্ষ গ্র্যাজুয়েটদের।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন, এমন শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে পরিচালিত একটি সুনির্দিষ্ট গবেষণায় দেখা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলো থেকে পাস করে বের হওয়া গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে গড়ে প্রায় ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থীই প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জনের তিন থেকে চার বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বেকার বসে আছেন। বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই করুণ অবস্থা আরও বেশি প্রকট। পুরুষ গ্র্যাজুয়েটদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার যেখানে প্রায় ২০ শতাংশের কাছাকাছি, সেখানে নারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার গিয়ে ঠেকেছে প্রায় ৩৪ শতাংশে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিজড) ২০২৩ সালে এই গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাটি পরিচালনা করেছিল।
সাধারণত বাংলা ভাষার ওপর সাবলীল দক্ষতা এবং কাজের প্রতি অত্যন্ত ইতিবাচক মানসিকতা তরুণদের মধ্যে বেশ ভালোভাবেই রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মানের কঠিন প্রতিযোগিতার বাজারে নিজেদের টিকিয়ে রাখার মতো প্রয়োজনীয় ‘সফট স্কিল’ বা ব্যক্তিগত ও আচরণগত দক্ষতা, দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা এবং যেকোনো জটিল সমস্যার দ্রুত সমাধান করার সক্ষমতা খুব কম প্রার্থীর মাঝেই পাওয়া যায়।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর