ঢাকা | বঙ্গাব্দ

다시 기회가 온다면? 여섯 পেশাজীবীর পছন্দ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 8, 2026 ইং
다시 기회가 온다면? 여섯 পেশাজীবীর পছন্দ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের সামনে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিভাগ বেছে নেওয়ার বড় চ্যালেঞ্জ এসে উপস্থিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে কর্মক্ষেত্রের চেনা চিত্রলিপিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। বিভিন্ন পেশায় সফল ও প্রতিষ্ঠিত মানুষেরা এই রূপান্তর খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, তাঁরা যদি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতেন, তবে কোন বিষয়টিকে বেছে নিতেন। এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন খাতের ছয়জন পরিচিত পেশাজীবী।

শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তা আয়মান সাদিক জানিয়েছেন যে, তিনি যদি পুনরায় কখনো বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পান, তবে তিনি বিবিএ বা ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগকেই পুনরায় নিজের জন্য বেছে নেবেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে সুনির্দিষ্টভাবে উদ্যোক্তা হওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে বিবিএ পড়ার মাধ্যমেই তাঁর মধ্যে মূলত উদ্যোক্তা হওয়ার প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে তাঁর সেই আগ্রহ আগের চেয়ে আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে তিনি আর দ্বিতীয়বার চিন্তা না করে এই বিষয়টিকে পুনরায় নিজের পড়াশোনার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতেন।

বিবিএ পড়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এর মাধ্যমে ব্যবসার বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করার সুযোগ পাওয়া যায়। অ্যাকাউন্টিং, ফিন্যান্স, মার্কেটিং, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত ব্যবস্থাপনা—এই সমস্ত বিষয়ের ওপরই কমবেশি প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হয়। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ রয়েছে ‘জ্যাক অব অল ট্রেডস, মাস্টার অব নান’, যার অর্থ হলো সবকিছু সম্পর্কে কিছুটা জানা কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে চূড়ান্ত বিশেষজ্ঞ না হওয়া এবং তাঁর নিজের অবস্থাও অনেকটা এই প্রবাদের মতোই বলে তিনি মনে করেন।

শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় বন্দि থেকে তাত্ত্বিক পড়ালেখা নয়, বিবিএ পড়ার সময় কেস স্টাডি, আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন এবং নানা ধরনের বাস্তবধর্মী প্রকল্পের মাধ্যমে হাতে-কলমে ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধান করার কলাকৌশল শেখানো হয়ে থাকে। একজন নতুন উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক যাত্রার ক্ষেত্রে এই ধরনের বহুমুখী অভিজ্ঞতা অত্যন্ত কার্যকরী ও ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করে থাকে।

এর পাশাপাশি বিবিএ পড়ার আরেকটি বিরাট প্রাপ্তি হলো সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক তৈরি করার সুযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে যখন কেউ নিজে ব্যবসায় নেমে পড়েন, তখন বুঝতে পারেন যে মানুষের সঙ্গে এই পেশাগত যোগাযোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই যেসব শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে সফল উদ্যোক্তা হতে চান কিংবা করপোরেট দুনিয়ায় নিজেদের একটি শক্ত ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য বিবিএ পড়া একটি চমৎকার ও দূরদর্শী পছন্দ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম জানিয়েছেন, তিনি যদি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতেন, তবে এমন একটি বিষয় বেছে নিতেন যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি মানবিক দক্ষতা বা সফট স্কিলের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এই ধরনের দক্ষতার মধ্যে রয়েছে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, যোগাযোগ স্থাপনের দক্ষতা, যুক্তি দিয়ে কোনো বিষয় গভীরভাবে চিন্তা করা, যেকোনো সমস্যার কার্যকর সমাধান করা, মানুষের আবেগ বুঝতে পারা ও তা নিয়ন্ত্রণ করা, দর-কষাকষি করা এবং সুনির্দিষ্ট কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মতো বিষয়গুলো। বিবিএ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা উন্নয়ন অধ্যয়নের মতো বহুমুখী বিষয়ে এই সফট স্কিল বা মানবিক দক্ষতাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পড়ানো হয়ে থাকে।

এই ধরনের মানবিক দক্ষতাকে তিনি কেন এত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন যে আধুনিক প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে প্রথাগত অনেক কাজই এখন খুব সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো প্রযুক্তির সহায়তায় আরও বহু জটিল কাজ করা সম্ভব হবে, কিন্তু মানুষের এমন কিছু সুপ্ত গুণাবলী ও সক্ষমতা রয়েছে যা কোনো প্রযুক্তি কখনোই পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারবে না।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানে যদি হঠাৎ করে কোনো জটিল সমস্যার উদ্ভব হয়, তবে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক কারিগরি জ্ঞান থাকলেই সেই সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান করা সম্ভব হয় না। এর জন্য প্রকৃত পরিস্থিতি গভীরভাবে অনুধাবন করতে হয়, সহকর্মীদের কথা মন দিয়ে শুনতে হয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দলগতভাবে কাজ করতে হয় এবং প্রয়োজনে অত্যন্ত কঠিন ও সাহসী সিদ্ধান্তও গ্রহণ করতে হয়। এসব কাজের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব, উন্নত যোগাযোগ এবং আবেগপূর্ণ বুদ্ধিমত্তার মতো মানবিক দক্ষতাগুলো অত্যন্ত অপরিহার্য।

একইভাবে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, আন্তর্জাতিক কূটনীতি কিংবা সামাজিক যোগাযোগের বহুমুখী ক্ষেত্রগুলোতে দর-কষাকষি করা এবং কৌশলগতভাবে চিন্তা করার গুরুত্ব অপরিসীম। সেই সঙ্গে যেকোনো দ্রুত বদলে যাওয়া পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার মতো অসাধারণ মানসিক ক্ষমতাও একজন মানুষের থাকা অত্যন্ত জরুরি।

তাই তিনি তরুণ প্রজন্মকে পরামর্শ দিয়ে বলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনারা যে বিষয় নিয়েই পড়াশোনা করুন না কেন, সর্বদা মানবিক দক্ষতা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ মনযোগ দেওয়া উচিত। কর্মক্ষেত্রে শুধু একটি প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি নয়, বরং এই ধরনের বহুমুখী দক্ষতাই আপনাকে অন্যদের তুলনায় আলাদা ও সফল করে তুলবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বা এমআইএস বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে দীর্ঘকাল শিক্ষকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকা বুশরা হুমায়রা বলেছেন যে তিনি যদি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেতেন, তবে তিনি সাংবাদিকতা বিষয়টিকে বেছে নিতে চাইতেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই তিনি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ও ক্লাবের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সেই সুবাদে সমাজের নানা স্তরের বিচিত্র পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর চমৎকার পরিচয় হয়েছিল। মানুষের মিশে যাওয়া, নতুন কোনো তথ্য জানা এবং বিভিন্ন বিষয়ের গভীরে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া তাঁর কাছে সবসময়ই দারুণ উপভোগ্য মনে হয়।

সাংবাদিকতা পেশার অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জগুলোও তাঁকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করে বলে তিনি জানান। একেবারে নতুন কোনো বিষয় নিয়ে কলম ধরা, নতুন সংবাদ খুঁজে বের করা কিংবা কোনো একটি জটিল সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গভীর অনুসন্ধান ও স্টাডি করার ভেতরে এক অদ্ভুত ও আলাদা আনন্দ কাজ করে।

তবে সাংবাদিকতার পাশাপাশি অর্থনীতি, স্বাস্থ্যনীতি, রাজনীতি কিংবা যেকোনো ধরনের আর্থসামাজিক গবেষণাধর্মী বিষয়ের ওপর উচ্চশিক্ষা গ্রহণেও তাঁর প্রবল আগ্রহ থাকত বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ে গবেষণার বিশাল জগথে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ এবং পরিধি আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছে। অতীতে গবেষণা বলতে মূলত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গণ্ডির ভেতরের কাজকেই বোঝানো হতো, কিন্তু বর্তমান সময়ে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারণী সংস্থা, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষায়িত গবেষণা সংস্থাতেও কাজের দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মিডলবারি কলেজ থেকে অর্থনীতি ও ধর্ম বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করার পর বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ২০১৮ সালে পাঠাও প্রতিষ্ঠানে প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা বা সিএফও হিসেবে যোগ দেওয়া ফাহিম আহমেদ নিজের দীর্ঘ কর্মজীবন ও পড়াশোনার অভিজ্ঞতা থেকে মনে করেন যে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পরেই সব শিক্ষার্থীর তাড়াহুড়ো করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো আবশ্যকতা নেই। বরং অধিকাংশ তরুণেরই প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার চেয়ে কারিগরি এবং ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকে বেশি করে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

বিশেষ করে হাতে-কলমে কাজ শেখার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। এমন বহু ধরনের কাজের ক্ষেত্র রয়েছে, যেগুলোতে দক্ষতা অর্জন করতে প্রথাগত বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের ডিগ্রির চেয়ে বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। আর যদি কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেই চান, তবে পড়ালেখা করা, সুন্দরভাবে লেখা এবং গণিতের মৌলিক বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

যদিও এই মৌলিক দক্ষতাগুলো উচ্চমাধ্যমিক পাস করার আগেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর অর্জন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন। এই ভিতটি যদি একবার শক্তভাবে তৈরি হয়, তবে যেকোনো বিষয় নিয়ে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করা এবং তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও তরুণদের মধ্যে তৈরি হয়। বর্তমান সময়ে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ ও পরিধি অনেক বিস্তৃত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং গ্রাফিক ডিজাইনসহ বিভিন্ন আধুনিক সেক্টরে ঘরে বসেই হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ রয়েছে এবং এই অর্জিত দক্ষতাগুলো সরাসরি পেশাগত কর্মক্ষেত্রে কাজে লাগানোর অবারিত সুযোগও তৈরি হয়েছে।

প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনায় অনেক সময়ই তাত্ত্বিক জ্ঞানের ওপর অতিরিক্ত মাত্রায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়, কিন্তু বাস্তব কর্মক্ষেত্রে যখন কেউ কাজ করতে যান, তখন ব্যবহারিক দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। তাই শুধু নামের ওয়াস্তে একটি ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যবান কয়েকটি বছর নষ্ট করার চেয়ে কর্মজীবনে দ্রুত প্রবেশ করার জন্য কোন দক্ষতা অর্জন করা বেশি জরুরি, সেটি নিয়ে ভাবাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কারিগরি শিক্ষা একজন তরুণকে খুব দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়াতে, আয়ের পথ সুগম করতে কিংবা নিজে একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে ভীষণভাবে সাহায্য করতে পারে, তাই তিনি তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষার ওপর জোরালো গুরুত্ব দিতে বলেছেন।

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বা ইউআইইউ থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশলে পড়াশোনা শেষ করা সৈয়দ আবিদ হোসাইন সামি জানিয়েছেন যে তিনি যদি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেতেন, তবে তিনি সবার আগে দেখতে চান যে কোন ক্যাম্পাসে একটি বিশাল খেলার মাঠ রয়েছে। নতুন করে পড়াশোনার সুযোগ পেলে তাঁর প্রথম এবং প্রধান পছন্দ হতো স্পোর্টস সায়েন্স বা ক্রীড়া বিজ্ঞান নিয়ে পড়া, তবে দেশে এই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। এই কারণে তিনি বিকল্প হিসেবে আইন বিষয়টিকে নিজের পড়াশোনার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিতেন। আইন পড়ার প্রতি তাঁর এই গভীর আগ্রহের প্রধান কারণ হলো ‘যোগাযোগের দক্ষতা’। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস যে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার ভঙ্গি উন্নত হয়, যুক্তি দিয়ে নিজের বক্তব্য খুব জোরালোভাবে উপস্থাপন করা যায় এবং যেকোনো জটিল বিষয়কে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করার সহজাত দক্ষতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ধূমপানে অজু নষ্ট হয় না, নামাজও আদায় হবে

ধূমপানে অজু নষ্ট হয় না, নামাজও আদায় হবে