নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুধার্ত এক পোশাকশ্রমিক নারীকে ছাত্রদল নির্যাতন করছে বলে যে দাবি করা হচ্ছিল, তা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ঘটনার। প্রকৃতপক্ষে চলতি বছরের ১২ মে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় এক নারীকে চোর সন্দেহে আটকের ওই ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল।
স্থানীয় বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত ভিডিও এবং তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সত্যতা নিশ্চিত করা গেছে। সোনাইমুড়ীর আওয়াজ সহ কয়েকটি স্থানীয় ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব অ্যাকাউন্টে প্রচারিত ভিডিওগুলোতে ছাত্রদল কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বরং ওই ভিডিওগুলোতে স্পষ্ট শোনা যায় যে, এক নারীর বিরুদ্ধে টাকা চুরির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এ সময় ওই নারীর সঙ্গে আরও দুইজন সহযোগী জড়িত ছিল বলেও দাবি করা হয় এবং পরবর্তীতে স্থানীয় জনতা তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার ব্যবস্থা নেয়। ভিডিওর কমেন্ট বক্সেও সাধারণ ব্যবহারকারীরা একই ধরনের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।
এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে নোয়াখালী খবর টুয়েন্টিফোর এর ফেসবুক পেজে দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। পেজটির অ্যাডমিন গুলজার হানিফ জানান, অভিযুক্ত ওই নারী মূলত একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য হিসেবে সক্রিয় রয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তিনি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই সম্পূর্ণ ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা বা সংযোগ নেই।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর