ঢাকা | বঙ্গাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে ঐকমত্য, রূপরেখা নিয়ে ধোঁয়াশা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 28, 2026 ইং
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে ঐকমত্য, রূপরেখা নিয়ে ধোঁয়াশা ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

আজকের সকালটি হলো বুধবার, তারিখটি পঁচিশ অক্টোবর। গতকালের প্রথমার আলোর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ঘটনা হয়তো অনেকের নজরে আসেনি। তাই আজকের প্রারম্ভে পাঠক দেশ এবং বিদেশের প্রধান পাঁচটি আলোচিত বিষয় ও গভীর বিশ্লেষণ দেখতে পারেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে কোনো রকম মতবিরোধ নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সময়ে গঠিত বিশেষ কমিশনের বৈঠকেই রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়ে একমত হয়েছে।

তবে এই ধরনের প্রশাসন গঠনের নির্দিষ্ট রূপরেখা কী হবে এবং ঠিক কোন প্রক্রিয়ায় এর প্রধান পদের ব্যক্তিকে বাছাই করা হবে, তা নিয়ে এখনও যথেষ্ট ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

পিরোজপুরের মাটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন তাঁর নিকটাত্মীয় ও এলাকাবাসী।

পরিবারের একজন সদস্য নিজেকে কিছুটা ধাতস্থ করে জানান যে, তাঁদের স্পষ্টভাবে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছিল যেন মৃতদেহ দাহ করা হয় কিংবা আটকে রাখা হয়।

এমনকি নিহতের স্বজনদের নিজ গৃহে প্রবেশ করতে না দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এলাকার অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের পর্যন্ত ঘরের বাইরে আসতে বারণ করে নানাভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছিল।

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার বক্তব্যের মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাদ্দের প্রসঙ্গ উঠে আসা কেন সাধারণ মানুষের মনে গভীর ভীতির সঞ্চার করে, তার বিশদ ব্যাখ্যা রয়েছে।

আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক দল কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যে বিগত দিনের ভুল ত্রুটি থেকে বিন্দুমাত্র শিক্ষা গ্রহণ করতে নারাজ, তা খুব সহজেই অনুমেয়।

অতীতে সংঘটিত ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটানোর তীব্র মানসিকতা যে তারা কিছুতেই ঝেড়ে ফেলতে পারছে না, সেই সত্যটি আমরা প্রায়শই হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে থাকি।

দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় আমাদের এই বার্তাই দিয়ে থাকেন যে, রাষ্ট্রযন্ত্র ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোকে কোনো অবস্থাতেই জনকল্যাণমুখী করতে তারা সামান্যতম আগ্রহী নন।

পুলিশের মহাপরিদর্শক সম্প্রতি যা ব্যক্ত করেছেন, তা শোনার পর একজন স্বাধীন দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে আতঙ্কিত হওয়ার এবং অতীতের হিংসাত্মক অধ্যায়ের কথা মনে পড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

সৌদি আরবের মাটিতে অভিবাসী প্রবাসীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পেছনে ভাষা না জানা, আইনজীবী না পাওয়া এবং লাশ দেশে না ফেরার করুণ চিত্র উঠে এসেছে।

জার্মানির রাজধানী বার্লিনভিত্তিক বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠন ইএসওএইচআর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি পঞ্জিকাবর্ষের প্রথমার্ধ অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোট একশ আটটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রায় উনষাট জন বা প্রায় চৌান্ন শতাংশ মানুষই ছিলেন ভিনদেশি নাগরিক। একই সময়সীমার মধ্যে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দায়ে মোট একাত্তরটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যার মধ্যে উনপঞ্চাশটিই ছিল বিদেশিদের।

ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের পেছনে হ্যারি কেইনের সাফল্যের রহস্য এবং সেই পুরস্কার অর্জনে ইয়ামাল ও এমবাপ্পের ব্যর্থতার কারণগুলো বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।

পুরস্কারের জন্য মনোনীত ত্রিশ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত সীমাবদ্ধ ছিল মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ের মাঝে, যাঁরা হলেন হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং তরুণ লামিনে ইয়ামাল।

তাদের নিজ নিজ মাঠের পারফরম্যান্সের বিচারে কেউ কারও চেয়ে খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক থিয়েরি অঁরি এই কারণে বারবার উল্লেখ করেছিলেন যে প্রতিযোগিতাটি ছিল অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্