ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পেট ভরলেও পুষ্টিহীনতায় কমছে কর্মক্ষমতা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 27, 2026 ইং
পেট ভরলেও পুষ্টিহীনতায় কমছে কর্মক্ষমতা ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বিঘ্নিত করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ক্ষতি ডেকে আনে তথাকথিত হিডেন হাঙর বা পুষ্টির গোপন ঘাটতি। প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অনুপস্থিতির কারণে ছোটদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়, কাজের শক্তি ফুরিয়ে আসে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবজীবনের সূচনার প্রথম এক হাজার দিনে এই ধরনের পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিলে তা শিশুর বুদ্ধিদীপ্ততা এবং শারীরিক বৃদ্ধিতে চিরস্থায়ী অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনে।

সারাদিন পেট পুরে ভরপুর খাবার গ্রহণ করলেই যে শরীরের সুষম পুষ্টি নিশ্চিত হয়েছে এমনটা নয়। তাই নিজেদের এবং পুরো পরিবারের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য খাবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সচেতন হওয়া এবং পুষ্টিকর সুষম খাদ্য খাওয়া বর্তমান সময়ের জোরালো দাবি। দৈনন্দিন ডায়েটে বড় ধরনের কোনো বড় পরিবর্তন না এনেই খুব সহজে এই ঘাটতির সমস্যা দূর করা সম্ভব। পুষ্টিবিদদের সুনির্দিষ্ট পরামর্শ মেনে দৈনন্দিন খাদ্যের থালায় কিছু সুচিন্তিত পরিবর্তন আনা জরুরি।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কেবল সাধারণ রুটি কিংবা আলুভাজি না রেখে খাবারের পাতে ডাল, ছোলা অথবা নানা পদের তরতাজা মৌসুমি শাকসবজি রাখা উচিত। পোলাও কিংবা খিচুড়ির মতো খাবারে মটরশুঁটি এবং বাদাম ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া সাধারণ ভাত অথবা ডালের সঙ্গে পাতিলেবু খাওয়ার ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যা শরীরের ভেতর পুষ্টি উপাদান শোষণ করার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ভরা পেটে কিংবা ভারী খাবারের ঠিক সঙ্গেই চা বা কফি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং তা খাবার খাওয়ার কিছুটা পরে গ্রহণ করতে হবে। কারণ চা ও কফিতে থাকা উপাদান উদ্ভিজ্জ আয়রনের শোষণক্ষমতা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিনের নিয়মিত খাদ্যতালিকায় তাজা ফলমূল, দুধ, টকদই, বাদাম এবং বিভিন্ন বীজজাতীয় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঘোষবাড়ির দুর্গোৎসব: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মিলনের পসরা

ঘোষবাড়ির দুর্গোৎসব: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মিলনের পসরা