নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নের বিদ্যমান ত্রুটির কথা তুলে ধরে মামুনুর জানিয়েছেন যে, তহবিলের একটি বড় অংশই ব্যয় হয় প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। এর ফলে মাঠপর্যায়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা কোনো সহায়তা পান না। বাংলাদেশের ওপর যে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে, তা মোকাবিলা করতে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর নিকট থেকে যথেষ্ট ও ন্যায্য অর্থ আদায়ের জোরালো দাবি তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।
এই বৈশ্বিক সম্মেলনে সরাসরি যোগদানের পাশাপাশি নওগাঁর মামুনুরের একটি বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের সামগ্রিক মাঠপর্যায়ের তথ্য এবং বিভিন্ন চিত্র সংগ্রহ করে তা বাংলাদেশের সরকারি প্রতিনিধিদলের হাতে তুলে দেবেন। মূলত আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে যাতে দেশের স্থানীয় বাস্তব চিত্রটি সঠিকভাবে ও জোরালোভাবে ফুটে ওঠে, সেটাই এর মূল লক্ষ্য।
সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরে নিজের অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং দিকনির্দেশনাগুলো নওগাঁসহ সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলের তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। তরুণদের সম্পৃক্ত করে জলবায়ু সুরক্ষা কার্যক্রমে নতুন ও কার্যকর উদ্যোগ হাতে নেওয়া যাবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাশা করছেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর