নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঘটনার ঠিক পরের দিনই ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় উপস্থিত হন। সেখানে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন, যা এই বিচারিক প্রক্রিয়ার সূচনা করে।
মামলা দায়েরের পর পুলিশি তদন্ত শুরু হয় এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। অভিযুক্ত মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দাখিল করা হয়।
আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলতে থাকে। এই বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে আদালত মোট ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন করেন এবং তাদের বক্তব্য রেকর্ড করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলী বা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে পুরো মামলাটি পরিচালনা করেন পারভীন সুলতানা। অন্যদিকে, আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো আসামির পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর