নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি গভীর রাতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছাবে, যার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে রাত ২টা ৪০ মিনিট। এই যাত্রাবিরতির স্থায়িত্বকাল হবে বিশ মিনিট, যা শেষ হবে রাত তিনটায় এবং এরপর ট্রেনটি চূড়ান্ত গন্তব্য কক্সবাজারের অভিমুখে যাত্রা করবে।
যাত্রাপথ শেষে ট্রেনটির পরদিন খুব ভোরে অর্থাৎ সকাল ছয়টায় নির্দিষ্ট সময়ে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে যাওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে।
দিনের আলোয় ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল আটটার সময় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাত্রা বিরতির পর এটি আবার রাজধানীর পথ ধরবে।
সবকিছু নিয়মতান্ত্রিকভাবে চললে এই ট্রেনটির সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এই সংযোজিত দীর্ঘ রুটে চলাচলকালে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেশ কয়েকটি স্টেশনে যাত্রীদের ওঠানামার সুবিধার জন্য থামবে।
উল্লেখিত যাত্রাবিরতি স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট এবং ফেনী জংশন।
বর্তমান সময়ে রাজধানী ঢাকা ও পর্যটন শহর কক্সবাজারের মধ্যকার রেলপথে ইতোমধ্যে দুটি এক্সপ্রেস ট্রেন নিয়মিত চলাচল করে আসছে।
ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাত এগারোটায় যাত্রা শুরু করে এবং পরদিন সকাল সাতটা কুড়িতে গন্তব্যে পৌঁছায়।
অন্যদিকে আরেকটি ট্রেন পর্যটক এক্সপ্রেস সকাল ছয়টা পনের মিনিটে ঢাকা ছেড়ে বেলা আড়াইটা অর্থাৎ দুপুর দুইটা চল্লিশ মিনিটে কক্সবাজার গিয়ে পৌঁছে।
অপরদিকে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাতায়াতের জন্য বর্তমানে সৈকত এক্সপ্রেস ও প্রবাল এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন চালু রয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেনটি খুব ভোরে সকাল পাঁচটা পঞ্চাশ মিনিটে এবং প্রবাল এক্সপ্রেসটি বিকালের দিকে অর্থাৎ বিকেল তিনটে দশ মিনিটে ছেড়ে যায়।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর