নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
ঘটনার শিকার ব্যক্তি তৌহিদুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আকস্মিক এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কালক্ষেপণ না করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি সহায়তা পেতে নির্ধারিত নম্বরে ফোন করে পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অবিহিত করেন। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় অপরাধী চক্রের সদস্যরা।
এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কালিয়াকৈর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তথা ওসি শহিদুল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে, ঘটনার বিবরণ সম্পর্কে সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কালবিলম্ব না করে তড়িৎ গতিতে ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে পুলিশ দল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বেই দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে চম্পট দিতে সক্ষম হয়।
পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরও স্পষ্ট করে জানান যে, ইতিমধ্যে ঘটে যাওয়া এই ছিনতাইয়ের পুরো ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সকল আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলমান রয়েছে। এছাড়া এই অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যারা যারা জড়িত রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে শনাক্ত করার পাশাপাশি আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার করার জোরালো প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে পুলিশ প্রশাসন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর