নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মামলার বিবরণ অনুযায়ী জানা যায় যে, মারধরের পুরো দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণের চেষ্টা চালালে বাদীপক্ষের এক ভাইকে বাধা দেওয়া হয় এবং শারীরিক আক্রমণ করা হয়। এই আকস্মিক পদক্ষেপে বাধা দিতে এগিয়ে আসেন মামলার বাদীর সম্মানিত জননী দিলয়ারা বেগম, যাঁকে উপর্যুপরি আঘাত করা হয়। একটা পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের ফলে তাঁর কপালে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগপত্রে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া, এই সংঘর্ষের হিংসাত্মক পরিস্থিতিতে অন্য ভাইয়ের নাকে মারাত্মক আঘাত লেগে প্রচুর রক্তপাত ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে এসে জখম হওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে পটিয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে জানান যে, পারিবারিক মালিকানাধীন সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সেই বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে ঘটনার দৃশ্য ধারণ করাকে কেন্দ্র করে ক্ষিপ্ত হয়ে মা ও দুই ভাইকে রক্তাক্ত জখম করার এই অনভিপ্রেত ঘটনাটি ঘটে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, বর্তমানের এই সহিংস ঘটনার প্রেক্ষাপটে থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশি অভিযানে ইতিমধ্যে চারজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর