ঢাকা | বঙ্গাব্দ

যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 2, 2026 ইং
যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

াত্তর সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার সাক্ষ্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক প্রবীণ ব্যক্তির পরিবার চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছে। গণমাধ্যমকে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারে দুলাল মিয়া জানান যে, ১৯৭১ সালের সেই কালরাতে তাঁর নিজের পিতা মাহমুদ আলী রাজাকার বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হয়েছিলেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নিকটাত্মীয় প্রয়াত জমিলা খাতুন একজন বীরঙ্গনা নারী হিসেবে ভূষিত ছিলেন।

পরবর্তীতে বিগত ২০১৬ সালের দিকে পেরুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা রজনী দাস মহোদয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের আদেশে সন্দেহভাজন হিসেবে মোট ১১ জন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছিল।

ভুক্তভোগী দুলাল মিয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে, ট্রাইব্যুনালে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সাক্ষ্যদান করার কারণে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী পক্ষ তাঁদের গোটা পরিবারের প্রতি চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বিশেষ করে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই তাঁদের ওপর এই হয়রানির মাত্রা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুলাল মিয়া আরও বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জানান যে, বর্তমানে তাঁর নিজের মেয়ে সেলিনা আক্তার উজ্জ্বলা এবং মেয়ের জামাই হেলাল মিয়া যৌথভাবে ওই বাড়িতেই বসবাস করছেন। তাদের বসতবাড়ির মূল ফটকের ঠিক সামনেই একটি খুচরা পণ্যের দোকান পরিচালনা করা হয়, যেখানকার সমস্ত মালামাল হামলাকারীরা লুট করে নিয়ে গেছে।

এদিকে এই সমস্ত অভিযোগের বিপরীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছেন মামলার অন্যতম আসামি উজানগাঁও গ্রামের মৃত গনি মিয়ার সুযোগ্য পুত্র মো. জালাল মিয়া। তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনীত হামলার সকল সম্পৃক্ততার অভিযোগ দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত জালাল মিয়া গণমাধ্যমের কাছে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন যে, এই বাড়িটিতে মূলত স্থানীয় তরুণ ও যুবকেরা মিলে এই হামলা এবং আক্রমণ পরিচালনা করেছে। তিনি আরও দাবি করেন যে ওই যুবসমাজ সম্পূর্ণভাবে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

জালাল মিয়ার ভাষ্যমতে, উজ্জ্বলা এবং তাঁর পরিবারের লোকজন সপরিবারে সরাসরি মদের পাশাপাশি ইয়াবা ব্যবসার মতো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছেন। তারা এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে নষ্ট করছেন বলেই স্থানীয়রা এই হামলা চালিয়েছে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
জামায়াত নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকড

জামায়াত নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকড