ঢাকা | বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা মিলছে না, সৌদির ঋণ নবায়ন পাকিস্তানের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 5, 2026 ইং
যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা মিলছে না, সৌদির ঋণ নবায়ন পাকিস্তানের ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

চলती বছরের জুলাই মাসে মার্কিন প্রশাসনের কাছে প্রায় এক হাজার কোটি বা ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি ‘এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন সাপোর্ট ফ্যাসিলিটি’ বা ইএসএসএফ সহায়তা চেয়েছিল ইসলামাবাদ। সম্প্রতি সেই আর্থিক সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশের অর্থমন্ত্রী বিগত কয়েক মাসে এ বিষয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উচ্চাশা ও প্রত্যাশা কমিয়ে আনার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, ওই নির্দিষ্ট সময়ে তারা মূলত আন্তর্জাতিক শেয়ার বা ঋণ বাজারে নিজেদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপরই মূল নজর দিয়েছিলেন এবং তারা শেষ পর্যন্ত সেই কাক্সিক্ষত প্রবেশাধিকার অর্জনে সফলও হয়েছেন।

এই প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী গত সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ইস্যুকৃত তিন বিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ বন্ডের কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন। ওই নির্দিষ্ট বন্ডটির বিপরীতে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে মোট ছয় বিলিয়ন ডলারেরও বেশি পরিমাণের ক্রয়াদেশ বা অর্ডার পাওয়া গিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করে বলেন যে, প্রস্তাবিত ইএসএসএফ সহায়তা যদি শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয় তবে তা দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ও দারুণ একটি ঘটনা হিসেবে কাজ করবে। মূলত একটি কার্যকর তারল্য সহায়তা তহবিল হিসেবেই এই ব্যবস্থা ভূমিকা রাখার কথা ছিল। তবে কোনো কারণে যদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই সহায়তা না–ও পাওয়া যায়, তবুও তাদের হাতে বিকল্প সব পরিকল্পনা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই বিকল্প ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তারা ভবিষ্যতে আরও নতুন ইউরোবন্ড এবং পাণ্ডা বন্ড বাজারে ছাড়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে ভারতীয় রুপিভিত্তিক এবং ডলারের মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য বিশেষ বন্ড বাজারে ছাড়ার সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনাও তাদের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কর্মপরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে প্রায় সত্তর থেকে আশিজন শীর্ষস্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর সরাসরি আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা অত্যন্ত পরিষ্কার ও স্বচ্ছ ছিল বলে তিনি জানান।

ব্যাংককের ওই বৈঠকে উপস্থিত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে দেশটির পাঁচ বছর ও দশ বছর মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি বন্ডগুলোতে বড় অংকের বিনিয়োগ করার আকর্ষণীয় প্রস্তাবও পাওয়া যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আওরঙ্গজেব স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, তাদের বর্তমান অর্থনৈতিক ও আর্থিক সকল পরিকল্পনা এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বা আইএমএফের বর্তমান কর্মসূচির মেয়াদ সমাপ্ত হওয়ার পরের সময়কার চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জীবনানন্দ দাশের প্রয়াণদিবসে ববি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল পাঠচক

জীবনানন্দ দাশের প্রয়াণদিবসে ববি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল পাঠচক