ঢাকা | বঙ্গাব্দ

স্টুডিওতে ফিরে আবেগী হলেন শিল্পী, সামনে আনলেন নতুন সিদ্ধান্ত

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 7, 2026 ইং
স্টুডিওতে ফিরে আবেগী হলেন শিল্পী, সামনে আনলেন নতুন সিদ্ধান্ত ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

স্টুডিওতে রেকর্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে যখন দাঁড়ানো হলো এবং কানে হেডফোন গোঁজা হলো, সেসময়ের মানসিক অবস্থা কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এমন কিছু আবেগ রয়েছে যা কখনোই মুখ ফুটে বলে বোঝানো যায় না। সেই ক্ষণে কেবলই মনে হচ্ছিল কত দীর্ঘ সময় পর আবার রেকর্ডিংরুমে ফেরা হয়েছে। নিয়মিতভাবে মঞ্চে গান পরিবেশন করা হলেও স্টুডিওতে গান রেকর্ড করার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা এবং ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা।

রেকর্ডিংয়ের পুরো সময়টা যেকোনো শিল্পীর কাছেই অত্যন্ত বিশেষ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি মুহূর্ত। ওই মুহূর্তে আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছিলেন শিল্পী, তবে নিজের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন তিনি। মনে আশঙ্কা কাজ করছিল যে একবার আবেগের কাছে হেরে গেলে গানটি আর সঠিকভাবে গাওয়া সম্ভব হবে না।

চোখে জল চলে আসার উপক্রম হলেও নিজেকে শক্ত হাতে সামলে নেন তিনি। এরপর সমস্ত মানসিক জোর একত্র করে গানটিতে কণ্ঠ দেন। মাইক্রোফোনের সামনে নিজের অবস্থান নেওয়ার পর চিরচেনা নিজেকে যেন একেবারে নতুনভাবে খুঁজে পান তিনি। মনের গহীনে জমে থাকা অজস্র না বলা কথা বুদবুদের মতো ওপরে ভেসে উঠতে শুরু করেছিল।

জীবনের এমন একটি সময় অতীতে ছিল যখন কোনো বাছবিচার না করেই প্রচুর কাজ করেছেন তিনি। সেসময়ে সবার সব ধরনের পরীক্ষামূলক গানই তিনি গেয়ে গেছেন। নিজের পরিচিত বা নির্ধারিত ধারার বাইরের গানও তাঁর গাওয়া বাদ যায়নি। সংক্ষেপে বলতে গেলে, সেসময়ে সব ধরনের গানই তাঁর কণ্ঠে রেকর্ড করা হয়েছিল এবং তা ছিল জীবনের একটি নির্দিষ্ট অধ্যায়।

তবে বর্তমান সময়ে এসে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এখন থেকে গান গাইবেন অত্যন্ত বেছে বেছে। গান শোনার মতো ভালো হতে হবে, তার কথা বা লিরিক হতে হবে সুন্দর। একই সঙ্গে গানের সুর এবং সঙ্গীত আয়োজন বা অ্যারেঞ্জমেন্ট হতে হবে মানসম্মত।

নিজের বয়স ও অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এখন গান নিয়ে এইটুকু বাছাবাছি করার সময় বা বয়স তাঁর হয়েছে। এখন আর যা খুশি বা ছন্নছাড়া ধরনের গান গাইলে একেবারেই চলবে না। এই পরিবর্তনের কথা বলতে গিয়ে তিনি কেবল নিজের কথাই বলেননি, বরং প্লেব্যাক শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য শিল্পীদের প্রসঙ্গও টেনেছেন।

তিনি জানান যে প্লেব্যাক করা শিল্পীরা অতীতে এমন অনেক গান গেয়েছেন যেগুলো না গাইলেও কোনো ক্ষতি হতো না। অতীতে সেই গানগুলোতে কণ্ঠ দিলেও এখন আর সেই ভুল তিনি বা তাঁরা করবেন না। এখন থেকে কেবল অত্যন্ত মানসম্মত ও ভালো গান পেলে তবেই তাতে কণ্ঠ দেবেন তিনি।

বর্তমান সময়ে যারা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক বা গান করছেন, তাদের সবাই বেশ ভালো গান করেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। নতুন প্রজন্মের এসব শিল্পীদের প্রতি নিজের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভাশিস ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

সব সময় তিনি নতুন শিল্পীদের আশীর্বাদ করেন যেন তারা ভবিষ্যতে অনেক বেশি সুরের বা মেলোডিয়াস গান গাওয়ার সুযোগ লাভ করতে পারে। এমন সব গান যেন তারা কাজের মাধ্যমে পায়, যা তাদের শ্রোতাদের মনে চিরস্মরণীয় ও অমর করে রাখবে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির মৌখিক সম্মতি

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতির মৌখিক সম্মতি