নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
পবিত্র এই প্রার্থনার দ্বিতীয় ভাগে পার্থিব জীবনের বসতবাড়িকে আরও আরামদায়ক ও প্রশস্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে। মানুষের মনের ওপর সংকীর্ণ বাড়ি, অপর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি মানসিক অবসাদ ও বিষাদ তৈরি করে।
এই বিশেষ মিনতির আরেকটি গভীর তাৎপর্য লুকিয়ে আছে মৃত্যুর পরের প্রথম মঞ্জিল বা কবরকে প্রশস্ত করার মাঝে। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করা হয়, যেন বান্দার অন্তিম ঠিকানা জান্নাতের একটি স্নিগ্ধ উদ্যান হয়ে ওঠে। এর মধ্য দিয়ে একজন মুমিন একই সঙ্গে ইহকাল ও পরকাল উভয়ের নিভৃত নিবাসে শান্তি ও স্বস্তি প্রার্থনা করে থাকেন।
মোনাজাত বা দোয়ার শেষ অংশে বান্দা নিজের আয়-রোজগারে বরকত বা সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে থাকে। এই আবেদনের মূল অর্থ হলো, প্রাপ্ত রিজিক যেন পুরোপুরি পবিত্র ও হালাল হয় এবং তাতে যেন কল্যাণকর সমৃদ্ধি লাভ হয়।
পরিমাণে অল্প হলেও সেই হালাল উপার্জনের ওপর যেন মন সর্বদা সন্তুষ্ট থাকে। কোনো হারাম বা অবৈধ সম্পদের প্রতি যেন সামান্য লোভের জন্ম না হয় এবং বান্দা যেন সবসময় তুষ্ট মনে জীবন অতিবাহিত করতে পারে, সেই প্রত্যাশাই এখানে ব্যক্ত হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর