নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় ক্যালেন্ডারে দ্বিতীয় প্রধান এই উৎসবটি পালিত হচ্ছে আজ রোববার। বছরের কার্তিক মাসের বিশেষ অমাবস্যা তিথিটিকেই এই পূজার জন্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
প্রাচীন পুরাণশাস্ত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেবী দুর্গার অপর এক মহাশক্তি হিসেবে গণ্য করা হয় কালীকে। মূলত ‘কাল’ নামক সংস্কৃত শব্দটির মাধ্যমেই এই দেবীর নামকরণের ইতিহাস গড়ে উঠেছে।
ভক্তদের কাছে এই আয়োজন মূলত শক্তির উপাসনা হিসেবে সমাদৃত। পৃথিবীর বুক থেকে যাবতীয় মন্দ ও অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে কল্যাণময় শুভ শক্তির চিরন্তন বিজয় নিশ্চিত করাই এর মূল তাৎপর্য।
সাধারণ জনশ্রুতি ও লোকবিশ্বাস অনুসারে, মহাশ্মশানের প্রধান নিয়ন্ত্রণকর্তা বা অধিষ্ঠাত্রী হিসেবে পরিচিত এই দেবী। এই কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার শ্মশানঘাটগুলোতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্মশান কালীপূজা উদযাপিত হয়ে থাকে।
মহানগরী ঢাকার ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে এই পূজার আয়োজন রয়েছে।
একই সঙ্গে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির এবং রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠেও বিশেষ পূজার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শহরের ঐতিহ্যবাহী সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরেও ভক্তরা ভিড় করবেন আজ।
সবুজবাগ এলাকার অন্তর্গত শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরেও উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
পুরান ঢাকার বিখ্যাত রাধাগোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দিরেও এই ধর্মীয় আচার পালন করা হবে।
এছাড়া পোস্তগোলা মহাশ্মশান প্রাঙ্গণেও আজ বিশেষ উপাসনা অনুষ্ঠিত হবে।
তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার এবং বাংলাবাজার এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দিরেও আজ আরাধনা চলবে।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর