নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান ছাড়াও পল্লবী এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়ের সামনে এই নাশকতার ঘটনাগুলো ঘটে। এসব আকস্মিক বিস্ফোরণে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে আজ সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। টিএসসি এলাকা, প্রশাসনিক ভবনের আশপাশ, উপাচার্যের বাসভবনসংলগ্ন ভিসি চত্বর, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবন এবং ঐতিহাসিক মধুর ক্যানটিনের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এছাড়া নীলক্ষেত এলাকার মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণসহ আশপাশের কয়েকটি স্থানেও একই ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। এসব ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পরপরই শিক্ষার্থীরা সাহসিকতার সঙ্গে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সোপর্দ করা হয়।
সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর পল্লবী থানা প্রাঙ্গণেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কালশী ফ্লাইওভারের ওপর থেকে একটি মোটরসাইকেলে করে আসা দুই দুর্বৃত্ত পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পল্লবী থানায় ঘটিত এই আকস্মিক ককটেল হামলায় বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) একজন সদস্য সামান্য আঘাত পান।
পরবর্তীতে মালিবাগে অবস্থিত অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান কার্যালয়ের সামনেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ধারাবাহিকভাবে ঘটিত এসব ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নগরবাসীর মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর