নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় এবার সম্পূর্ণ সফল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর মোট ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থী কৃতকার্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, সাফল্যের বিপরীত চিত্রে দেখা গেছে তিনটিতে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই সূচকের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গতবার সম্পূর্ণ ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নির্ধারিত ছিল পাঁচটি সীমায়।
তার আগের দুই বছর অর্থাৎ যথাক্রমে ২০২৪ এবং ২০২৩ সালের কার্যক্রমেও এমন নিষ্ফল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল যথাক্রমে পাঁচটি ও তিনটি। তবে এর ব্যতিক্রম ঘটেছিল ২০২২ সালে, যখন সম্পূর্ণ পাসশূন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বোর্ডের অধীনে রেকর্ড করা হয়নি।
বিভিন্ন অঞ্চলের সামগ্রিক ফলাফলের সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, খাগড়াছড়ি জেলায় শিক্ষার্থীদের সাফল্যের হার সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে পাসের অনুপাত দাঁড়িয়েছে মাত্র উনত্রিশ দশমিক আট পাঁচ শতাংশে।
পার্বত্য অঞ্চলের অপর দুই জেলা রাঙামাটি ও বান্দরবানেও ফলাফলের চিত্র বেশ নিম্নমুখী রয়েছে। রাঙামাটি অঞ্চলে কৃতকার্যতার হার ছিল তেত্রিশ দশমিক দুই চার শতাংশ এবং বান্দরবান এলাকায় এই হার ছিল একচল্লিশ দশমিক চার দুই শতাংশ।
অন্যদিকে বিভাগীয় প্রধান শহর চট্টগ্রাম মহানগরীর চিত্র তুলনামূলকভাবে সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। এই শহরাঞ্চলে পরীক্ষার্থীদের সাফল্যের সার্বিক হার হিসাব করা হয়েছে ছেষট্টি দশমিক বিশ শতাংশ হিসেবে।
সার্বিক মূল্যায়ন প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী গণমাধ্যমকে নিজের মতামত জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে তাদের অর্জিত সাফল্যের হার গতবারের প্রায় কাছাকাছি অবস্থানেই রয়েছে।
তিনি আরও যোগ করেন যে এবার পুরো বোর্ডজুড়ে সম্পূর্ণ অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমেই পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছিল। একই সঙ্গে উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও কঠোরভাবে অভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মহোদয় পরিশেষে মন্তব্য করেন যে এসব সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কারণে এবারের খাতার মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত যথাযথ ও নিখুঁত হয়েছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর