নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরের আধুনিকায়ন এবং নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, বর্তমান সময়েই যদি নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তি চূড়ান্ত করা না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে সংস্থাটিকে চরম উড়োজাহাজ সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।
একটি নতুন উড়োজাহাজ বহরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হতে প্রায় এক দশক সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘ দশ বছরের মধ্যে বিমান বহরে থাকা বর্তমান উড়োজাহাজগুলো নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে ধাপে ধাপে উড্ডয়নের অনুপযুক্ত বা অযোগ্য হয়ে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন।
উড়োজাহাজ কেনাকাটার অর্থায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এর জন্য সরকারের তহবিল থেকে সরাসরি কোনো অর্থ খরচ করা হবে না। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস তাদের নিজেদের আয়ের অর্থ দিয়েই ক্রমান্বয়ে এই উড়োজাহাজগুলোর মূল্য পরিশোধ করবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার কেবল জামিনদার বা গ্যারান্টার হিসেবে ভূমিকা পালন করবে মাত্র।
অন্যদিকে, বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা এবং দুর্নীতির নানা অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন। অতীতে যেসব অপ্রয়োজনীয় ক্রয় সম্পন্ন হয়েছিল, সেগুলোর প্রতিটি ঘটনার যথাযথ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের নীতি অত্যন্ত কঠোর উল্লেখ করে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, অপরাধ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি আগের মতোই দৃঢ়ভাবে বহাল থাকবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর