ঢাকা | বঙ্গাব্দ

টেন্ডার বাণিজ্যের জেরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে হুমকির অভিযোগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 5, 2026 ইং
টেন্ডার বাণিজ্যের জেরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে হুমকির অভিযোগ ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

পাবনার সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দরপত্র পাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদারদের একটি পক্ষ কাজ না পেয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নানামুখী হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে কর্মস্থলে যাওয়া থেকে বিরত থাকছেন সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. ওয়াসিম খান ঘটনার প্রত্যক্ষ বিবরণ দিয়ে জানান, যাঁরা শেষ পর্যন্ত দরপত্র পাননি, তাঁরা সরাসরি স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁরা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে নানা বিষয়ে জেরা করতে শুরু করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন।

ডা. ওয়াসিম খান আরও উল্লেখ করেন, তিনি যখন দ্রুত ছুটে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করেন, তখন তিনি কক্ষের ভেতরের সিসিটিভি ক্যামেরাটিকে উল্টানো অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর ধারণা, কোনো বিশেষ মহল বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তিরাই এই অনৈতিক কাজটি করে থাকতে পারেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় পরবর্তীতে দ্রুত থানায় খবর দেওয়া হলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

পুরো টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ডা. ওয়াসিম খান স্পষ্ট করেন যে, তিনি প্রাতিষ্ঠানিক দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে এই গোটা প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি বিস্তারিত জানানো হয়নি। যদি কোথাও কোনো ধরনের অনিয়ম হয়েই থাকে, তবে তা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চ কর্তৃপক্ষকে জানানো যেত। তবে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, হাসপাতালের মতো একটি সংবেদনশীল সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের হট্টগোল বা চিৎকার করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।

অন্যদিকে, সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, এই পুরো দরপত্র প্রক্রিয়ায় ব্যাপক মাত্রায় অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংঘটিত হয়েছে।

যুবদল নেতা পিন্টুর আরও অভিযোগ, স্থানীয় পর্যায়ে বৈধ ঠিকাদারি লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও যোগ্য কাউকে কাজ না দিয়ে অত্যন্ত গোপনে অন্য জেলা থেকে লোক এনে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, টেন্ডারে বিশেষ কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। মূলত স্বাস্থ্য কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ যোগসাজশে ও তাঁর স্বামীর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এই পুরো প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সূত্র: আজকের পত্রিকা


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
জামালপুর বন্ধুসভার আয়োজনে আহমদ ছফার গাভী বিত্তান্ত পাঠচক্র

জামালপুর বন্ধুসভার আয়োজনে আহমদ ছফার গাভী বিত্তান্ত পাঠচক্র