নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
সন্তান জন্মদানে অক্ষমতার অভিযোগে দীর্ঘ সাত বছরের বিবাহিত সম্পর্কের ইতি টানলেন স্বামী রনি। সালিশি বৈঠকে উপস্থিত সবার অনুরোধ এবং স্ত্রীর আকুতি উপেক্ষা করে তিনি তালাক কার্যকর করেন।
ইতির ভাই জুলহাস সরদার গণমাধ্যমকে জানান, সালিসে তাঁর বোন বৈবাহিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে স্বামীর পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করেও কোনো লাভ হয়নি। স্থানীয় মুরুব্বিরাও রনিকে বোঝাতে ব্যর্থ হন।
ইতি ও তাঁর স্বজনদের অভিযোগ, নিঃসন্তান হওয়ার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তাঁকে দীর্ঘসময় ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। এমনকি একপর্যায়ে জোরপূর্বক তাঁকে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এই নির্যাতনের প্রতিকার চেয়ে ইতি পূর্বে থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেছিলেন।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবার জানিয়েছে, যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে ইতির সন্তান ধারণের বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকেরা এ ক্ষেত্রে আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশনপদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন।
এই চিকিৎসায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে বলে জানানো হয়। মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর জন্য ইতির বাবা নিজের শখের জমিও বিক্রি করতে চেয়েছিল। তবে এতকিছুর পরও রনির মন গলেনি এবং তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর