নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর
মিছে সুখের নানা চিহ্ন বুকে চেপে ধরে এবং হৃদয়ে কবর খুঁড়ে পৃথিবীর ধুলামাখা পথে কারা যেন একদল মানুষ এগিয়ে চলে মরা ফুল হাতে নিয়ে।
তাদের মুখে লেপ্টে থাকে হাসি হাসি ভাব অথচ চোখগুলো থাকে কাঁদো কাঁদো, আর জল-ডাঙায় হেলেদুলে পেঙ্গুইন হুড পরে অমরাবতীর দিকে কারা যেন হেঁটে আসে শুকনো পাতার এক নীরব জাগরণ গায়ে মেখে।
মায়ার এই নিড়ে ভালোবাসার খেয়া ভাসাতে গিয়ে যদি কোনো মুহূর্তে আবার মনে পড়ে যায় যে বেদনাসিক্ত আত্মার বসবাস আসলে শূন্যলোকের কোথায়, তা হতে পারে গহিন কোনো বনে কিংবা নীলিমার মনে।
আরে এ তো আসলে স্মৃতিতে চিরঅম্লান এমন একজন মানুষের পাণ্ডুলিপি, যার প্রেম, সংসার, স্বজন, বন্ধু এবং পঞ্চইন্দ্রিয় সবই পুড়ে একেবারে জলে ভাসা সাদা ছাই হয়ে গেছে।
যুগের পর যুগ এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সময়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী হয়ে সেই ছাই হয়ে যাওয়া পোড়া আঙুলগুলো ধরে রেখে এ পৃথিবী বরাবরই তার নিজস্ব ক্ষয় দেখতে দারুণভাবে অভ্যস্ত।
কেবল তাই নয়, শত শত বছর ধরে সুদূর দিগন্তের কাছে একেবারে হাঁটু গেড়ে বসে থেকে এ গ্রহ বা জগত তার নিজের গা থেকে একটি একটি করে নক্ষত্রের পতন দেখতেও পুরোপুরি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।
শেষ পর্যন্ত জগতের নিয়ম এটাই যে ভালো মানুষগুলো কখনো বেশিদিন মানুষের কাছে কাছে থাকে না, আর যদি বা কখনো থাকেও তবে তা থাকে খুব স্বল্প কিছু সময়ের জন্য।
সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।
জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর