ঢাকা | বঙ্গাব্দ

লাল তালিকা থেকে কমলা শ্রেণিতে যাচ্ছে জাহাজভাঙা শিল্প

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 24, 2026 ইং
লাল তালিকা থেকে কমলা শ্রেণিতে যাচ্ছে জাহাজভাঙা শিল্প ছবির ক্যাপশন:
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক মুক্ত কণ্ঠস্বর

পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকারক ও সর্বোচ্চ দূষণকারী খাত হিসেবে চিহ্নিত জাহাজভাঙা শিল্পকে লাল তালিকা থেকে সরিয়ে কমলা শ্রেণিতে রূপান্তরের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রাষ্ট্র। দীর্ঘকাল ধরে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ইয়ার্ড মালিকরা এই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন ইয়ার্ড নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা বা ইআইএ সম্পন্ন করার অপরিহার্য বাধ্যবাধকতা অপসারিত হওয়ার প্রবল সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উদ্যোক্তারা দীর্ঘকাল ধরে অভিযোগ করে আসছেন যে, এই খাতটি লাল শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত থাকায় একটি নতুন ইয়ার্ডের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেতে প্রায় নব্বই দিন পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ হয়। এর ফলে ব্যবসায়িক ও আর্থিকভাবে তারা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি তাদের। তবে সরকারের এই ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের ফলে উপকূলীয় পরিবেশ এবং সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়বে বলে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশের বিশিষ্ট পরিবেশবাদীরা।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও জাহাজভাঙা খাতকে বিশ্বের অন্যতম একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পেশা ও শিল্প বলে স্পষ্টভাবে অভিহিত করেছে। চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের যেসব সমুদ্রসৈকতে মূলত পুরোনো জাহাজ ভাঙার কাজ চলে, সেগুলোর আশপাশের সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র, মৃত্তিকা এবং বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে জাহাজভাঙা খাতকে লাল থেকে কমlas শ্রেণিতে স্থানান্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। ইতিপূর্বে গত আগস্ট মাসে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রচলিত আইন, বিধিমালা, নীতিমালা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়াদি গভীরভাবে পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

গঠিত এই কমিটির সম্মানিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এই কমিটিতে আরও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন স্বয়ং শিল্পমন্ত্রী, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং আইন ও সংসদ বিষয়ক সচিব। তবে অত্যন্ত লক্ষণীয় বিষয় হলো, এই গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে কোনো ধরনের পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি কিংবা পরিবেশবিষয়ক কোনো বিশেষজ্ঞকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়নি।

এ বিষয়ে নিজের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, হংকং কনভেনশনের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরে বর্তমানে প্রায় ১৫ থেকে ২০টি আধুনিক গ্রিন ইয়ার্ড বা সবুজ ইয়ার্ড গড়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের নিজস্ব ভাষ্য অনুযায়ী তারা প্রতিটি ইয়ার্ডের পেছনে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার মতো বিশাল অঙ্কের মূলধন বিনিয়োগ করেছেন। জাহাজভাঙা কার্যক্রম লাল শ্রেণিতে থাকায় ইয়ার্ডের অনুমতি পেতে তিন মাস সময় লাগে, যা ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়।

পরিবেশদূষণের ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, একই সঙ্গে পরিবেশ এবং শিল্প উভয়কেই কার্যকরভাবে রক্ষা করতে হবে। বর্তমান বলবৎ থাকা পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-২০২৩ অনুযায়ী জাহাজভাঙার সামগ্রিক কার্যক্রম এবং নির্দিষ্ট ইয়ার্ড দুটোই লাল শ্রেণির শিল্প হিসেবে গণ্য। ওই বিধিমালার সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী লাল শ্রেণির যেকোনো কারখানা বা স্থাপনাসমূহ পরিবেশ এবং সাধারণ মানবস্বাস্থ্যের ওপর অত্যন্ত তীব্র ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এই নেতিবাচক প্রভাব সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান যে, এই বিধিমালায় যদি পরিবর্তন আনা হয়, তবে ভবিষ্যতে একটি নির্দিষ্ট ইয়ার্ড ঠিক কী পরিমাণ দূষণ সৃষ্টি করবে এবং তার সার্বিক প্রভাব পরিবেশে কতটুকু পড়ব, তা জানার কোনো সুযোগ আর থাকবে না। এর ফলে এই অত্যন্ত সংবেদনশীল খাতের সামগ্রিক তদারকব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।

বিদ্যমান বিধিবিধান অনুযায়ী, যেকোনো স্থানে নতুন ইয়ার্ড স্থাপন করতে হলে প্রথমে বাধ্যতামূলকভাবে পরিবেশগত প্রভাব সমীক্ষা বা ইআইএ পরিচালনা করতে হয়, যা প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের এই খাতের জন্যও সমানভাবে বাধ্যতামূলক। বর্তমানে ইয়ার্ডের দূষণ কার্যকরভাবে রোধ করতে কী কী সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, সেটার বিস্তারিত কার্যপরিধি বা টিওআর পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে যথাযথভাবে জমা দিতে হয়।

সদর দপ্তর থেকে সেই কার্যপরিধির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রাপ্তির পরই কেবল সংশ্লিষ্ট ইয়ার্ডগুলো তাদের ইআইএর মূল কার্যক্রম শুরু করতে পারে। এই সামগ্রিক কার্যক্রমের একটি প্রধান অংশ হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্ধারিত প্রতিনিধির সরাসরি নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্থানীয় জনগণের মতামত যাচাই করা হয়। সেই প্রাপ্ত সমস্ত মতামত লিখিত প্রতিবেদন আকারে নির্দিষ্ট জেলা কার্যালয়ে প্রেরণ করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সেই প্রতিনিধি।

জেলা কার্যালয় থেকে প্রেরিত প্রতিবেদনটি পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে পুনরায় অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হয় এবং সবকিছু সন্তোষজনক হলে তবেই সংশ্লিষ্ট ইয়ার্ডের অনুকূলে অবস্থানগত ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। এরপরের ধাপে আসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের প্রক্রিয়া। সংশ্লিষ্ট ইয়ার্ডে পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর সম্ভাব্য দূষণের প্রভাব পুরোপুরি রোধ করতে বাস্তবে কী কী সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তা সরজমিন পরিদর্শন শেষে তবেই এই চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

এই সম্পূর্ণ দীর্ঘ প্রক্রিয়াটি শেষ করতে স্বাভাবিকভাবেই প্রায় নব্বই দিনের মতো দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়। এখন যদি এই জাহাজভাঙা শিল্পকে পুরোপুরি কমলা শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়, তবে এ ধরনের কোনো কঠোর বাধ্যবাধকতা আর বহাল থাকবে না। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-২০২৩-এর বিধান অনুযায়ী কমলা শ্রেণির শিল্পের জন্য কেবল প্রাথমিক পরিবেশগত সমীক্ষা প্রতিবেদনটি পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কার্যালয়ে জমা দিলেই চলে।

বিভাগীয় কার্যালয় যদি নিজ বিবেচনায় মনে করে যে ইআইএ বা প্রভাব সমীক্ষা করার কোনো প্রয়োজন রয়েছে, কেবল সেই ক্ষেত্রেই তারা বিশেষ সুপারিশ প্রদান করতে পারবে। তবে সেই বিভাগীয় সুপারিশগুলো মেনে চলার কোনো ধরনের আইনগত বা বাধ্যতামূলক বাধ্যবাধকতা থাকবে না। এমনকি ইয়ার্ড স্থাপনের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আর কষ্ট করে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে যেতে হবে না, কেবল স্থানীয় বিভাগীয় কার্যালয় থেকেই এই চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে জানান যে, এটি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক শিল্প। তাঁর মতে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পুরোনো জাহাজ ভাঙার উপযোগী হয়ে উঠবে। দেশের অভ্যন্তরে গ্রিন ইয়ার্ড বা পরিবেশবান্ধব ইয়ার্ডের সংখ্যা যদি সন্তোষজনকভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়, তবে বিশ্ববাজারের এই বিশাল একটা বড় অংশ ভাঙার কাজ বাংলাদেশ সহজেই অর্জন করতে পারবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিবছর নিয়মিতভাবে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকার বিভিন্ন ইয়ার্ডগুলোতে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টি করে বড় জাহাজ ভাঙার কাজ করা হয়। সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ জাহাজ সম্পূর্ণভাবে কেটে ভাঙতে প্রায় ছয় মাসের মতো দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়। বর্তমানে এই সমস্ত জাহাজভাঙা ইয়ার্ডগুলোতে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার শ্রমিক নিয়মিত পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

পুরোনো জাহাজ নিরাপদে ভাঙার জন্য করণীয় ও সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে বিশিষ্ট পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সুনির্দিষ্ট মত প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক বাসেল কনভেনশনের আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী যার যার উৎপাদিত বর্জ্যের সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব তাকেই বহন করতে হবে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো থেকে বর্জ্যবাহী জাহাজ যদি বাংলাদেশে আসে, তবে সেই বর্জ্যের সমস্ত দায়দায়িত্ব উন্নত বিশ্বের ওপরই বর্তায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে জাহাজ ভাঙার কাজ করতে হলে আধুনিক ড্রাইডক বা বিশেষায়িত স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। কেবল উন্মুক্ত সমুদ্রসৈকতে অপরিকল্পিতভাবে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে এই জাহাজভাঙা শিল্পকে কখনো সবুজ বা পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব নয়। এই শিল্প খাতকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ করতে হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যত আইনকানুন রয়েছে, সেগুলোর কঠোর প্রতিপালন ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির বা বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন যে, বিধিমালা শিথিল করার এই অপচেষ্টা জাহাজভাঙা খাতের দূষণ রোধে চলমান বিভিন্ন মামলা এবং আদালতের সুনির্দিষ্ট রায় ও আদেশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাছাড়া এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই অবহগত করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন যে, গত আগস্ট মাসেও মারাত্মক গ্যাস নিঃসরণের ফলে মর্মান্তিকভাবে ১০ জন হতভাগ্য শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমান সময়ে এসে এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত শ্রমিকদের কর্মজীবনকে আরও অনেক বেশি গভীর ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে। রিজওয়ানা হাসান গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে, ফ্যাসিস্ট আমলের মতো কলমের এক খোঁচায় সুন্দরবনের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার ভেতরেও শিল্পকারখানা স্থাপনের অবৈধ অনুমতি দেওয়ার ঘটনা অতীতে দেখা গেছে। বর্তমান নির্বাচিত সরকারের আমলে এসে এ ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত বা গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও একটি অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন রেখে বলেন যে, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ রক্ষা বা তার বিষয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সরকার দেশের পরিবেশবাদীদের অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ডেকেছিল। কিন্তু জাহাজভাঙার মতো এত বড় ও সুদূরপ্রসারী একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সময় কোনো একজন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ বা পরিবেশকর্মীকেও কেন ন্যূনতম পরামর্শের জন্য ডাকা হলো না, সেই বিষয়ে তিনি গভীর বিস্ময় ও প্রশ্ন প্রকাশ করেন।

সূত্র: জাতীয় দৈনিক আমার সকাল টিম।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : জাতীয় দৈনিক মুক্ত কণ্ঠস্বর

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঘোষবাড়ির দুর্গোৎসব: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মিলনের পসরা

ঘোষবাড়ির দুর্গোৎসব: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মিলনের পসরা